শেরপুরে পাহাড়ী ঢলের পানিতে পড়ে এক বৃদ্ধ ও নারীসহ তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরোও তিনজন।
নিহতরা হলেন উপজেলার বাঘবেড় গ্রামের মানিক নিয়ার স্ত্রী ওমিজা খাতুন (৪৫) এবং আন্ধারুপাড়া গ্রামের ইদ্রিস মিয়া (৮০)। এছাড়া ঢলের পানিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অজ্ঞাত নামা এক নারীর মৃতদেহ পানিতে ভেসে আসে।
এছাড়াও উপজেলার নন্নী অভয়পুর গ্রামের বছির উদ্দীনের দুই ছেলে আবু হাতেম (৩০) ও আলমগীর (১৭) এবং বাতকুচি গ্রামের মৃত আব্দুল হাকিমের স্ত্রী জহুরা খাতুন (৪৫) নিখোঁজ রয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নালিতাবাড়ী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছানোয়ার হোসেন বলেন, ঢলের পানিতে ডুবে বৃদ্ধ ও নারীসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও তিনজন নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজদের সন্ধান পেতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন গতকাল শুক্রবার বিকেলে উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের আন্ধারুপাড়া গ্রামে ঢলের পানিতে ডুবে থাকা সড়ক পার হওয়ার সময় পানিতে ডুবে যান ইদ্রিস মিয়া (৮০) পরে স্থানীয়রা খোঁজাখুজির পর তার মরদেহ উদ্ধার করে। এছাড়াও বাঘবেড় গ্রামে ওমিজা খাতুন (৪৫) নামে আরেক নারী পানিতে ডুবে মারা যায়।
এদিকে, গত তিন দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে শেপুরের নালিতাবাড়ী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় ১৭ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন গ্রাম।
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে উপজেলার ভোগাই ও চেল্লাখালী ও মহারসি নদীর বাঁধ ও নদীর পাড় ভেঙে দুই উপজেলার প্রায় ১৭ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ে।








