মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল শনিবার তার মালিকানাধীন ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, তিনি আশা করেন যে চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে যাতে হরমুজ প্রণালী “আর কোনো হুমকি” না থাকে। ট্রাম্প এমন আহ্বান জানানোর পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।
যুক্তরাজ্য:
যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, “যেমনটি আমরা আগে বলেছি, আমরা বর্তমানে আমাদের মিত্র ও অংশীদারদের সঙ্গে বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা করছি, যাতে অঞ্চলে জাহাজ চলাচলের সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়।”
চীন:
ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের এক মুখপাত্র সিএনএনকে বলেছেন, চীন তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি চায়। তবে ওই মুখপাত্র এটা স্পষ্ট করেননি যে বেইজিং ট্রাম্পের আহ্বান মেনে নেবে কিনা। তবে স্থিতিশীল ও বাধাহীন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সব পক্ষের দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। চীন এ সংক্রান্ত যোগাযোগ আরও জোরালো করবে বলেও জানান ওই চীনা কর্মকর্তা।
জাপান:
টোকিও এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রাম্পের আহ্বানে প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে জাপানের কর্মকর্তারা এনএইচকে’কে বলেছেন যে এই বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির মার্কিন সফরের এজেন্ডায় থাকতে পারে, যা বুধবার শুরু হচ্ছে।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “জাপান কেবল ট্রাম্পের অনুরোধেই নৌবাহিনী পাঠাবে না। জাপানের স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেয়াই মূল।”
ফ্রান্স:
ফ্রান্সও তৎক্ষণাৎ কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে ট্রাম্পের পোস্টের কয়েক ঘণ্টা পর ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তাদের অফিসিয়াল এক্স একাউন্টে জানায় ফ্রান্স হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে না। পোস্টে বলা হয়েছে, “না, ফ্রান্সের বিমানবাহী ক্যারিয়ার এবং তার গ্রুপ পূর্ব ভূমধ্যসাগরে রয়েছে। অবস্থান অপরিবর্তিত ও প্রতিরক্ষামূলক আছে।
দক্ষিণ কোরিয়া:
সিওলের পক্ষ থেকেও এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।








