মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২, ২১ শাবান ১৪৪৭, শীতকাল

‘মধ্যপ্রাচ্যে বিশৃঙ্খলতা, সন্ত্রাস এবং দুর্ভোগের জন্য দায়ী ইসরাইল’

ইরান-ইসরাইলের চলমান সংঘাতের মধ্যেই একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছেন জাতিসংঘের মার্কিন দূত ডরোথি শিয়া।

শুক্রবার (২০ জুন) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দেওয়া এক বক্তৃতায় অনিচ্ছাকৃতভাবে তিনি বলে ফেলেন,

ইরান-ইসরাইলের চলমান সংঘাতের মধ্যেই একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছেন জাতিসংঘের মার্কিন দূত ডরোথি শিয়া। শুক্রবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দেওয়া এক বক্তৃতায় অনিচ্ছাকৃতভাবে তিনি বলে ফেলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে বিশৃঙ্খলতা, সন্ত্রাস এবং দুর্ভোগের জন্য দায়ী ইসরাইল’। খবর আল জাজিরা’র।

তার এই মন্তব্য মুহূর্তেই সম্মেলন কক্ষে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে এবং উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের নজর কাড়ে।

অবশ্য তাৎক্ষণিকভাবে নিজের ভুল শুধরে নিয়ে তিনি ইসরাইল-ইরান সংঘাতের জন্য ইরানকেই দায়ী করেন। তিনি বলেন, তেহরানের উচিত ছিল তার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি চুক্তিতে সম্মত হওয়া। একই সঙ্গে তিনি ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে ইসরাইলের পদক্ষেপের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

তবে এই মন্তব্য ঘিরে ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এটি হয়তো মার্কিন প্রশাসনের ভেতরের গোপন মনোভাবের একটি বহিঃপ্রকাশ।

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীর উত্থান এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইলের নীতিকে দায়ী করে আসছেন সমালোচকদের একাংশ। এমন পরিস্থিতিতে একজন মার্কিন কূটনীতিকের মুখ থেকে এ ধরনের কথা বেরিয়ে আসা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জুন থেকে ইসরাইল ইরানের বিভিন্ন স্থান, বিশেষ করে সামরিক ও পরমাণু স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে বিমান হামলা চালাচ্ছে। জবাবে তেহরানও তেলআবিবসহ ইসরাইলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে।

ইসরাইলের সরকারি হিসাব মতে, ইরানের হামলায় এখন পর্যন্ত ২৫ জন নিহত হয়েছেন এবং শতাধিক আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ইরানের গণমাধ্যম অনুসারে, ইসরাইলি হামলায় ইরানে এখন পর্যন্ত ৬৩৯ জন নিহত এবং ১৩০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।

। খবর আল জাজিরা’র।

তার এই মন্তব্য মুহূর্তেই সম্মেলন কক্ষে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে এবং উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের নজর কাড়ে।

অবশ্য তাৎক্ষণিকভাবে নিজের ভুল শুধরে নিয়ে তিনি ইসরাইল-ইরান সংঘাতের জন্য ইরানকেই দায়ী করেন। তিনি বলেন, তেহরানের উচিত ছিল তার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি চুক্তিতে সম্মত হওয়া। একই সঙ্গে তিনি ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে ইসরাইলের পদক্ষেপের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

তবে এই মন্তব্য ঘিরে ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এটি হয়তো মার্কিন প্রশাসনের ভেতরের গোপন মনোভাবের একটি বহিঃপ্রকাশ।

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীর উত্থান এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই ইসরাইলের নীতিকে দায়ী করে আসছেন সমালোচকদের একাংশ। এমন পরিস্থিতিতে একজন মার্কিন কূটনীতিকের মুখ থেকে এ ধরনের কথা বেরিয়ে আসা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জুন থেকে ইসরাইল ইরানের বিভিন্ন স্থান, বিশেষ করে সামরিক ও পরমাণু স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে বিমান হামলা চালাচ্ছে। জবাবে তেহরানও তেলআবিবসহ ইসরাইলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে।

ইসরাইলের সরকারি হিসাব মতে, ইরানের হামলায় এখন পর্যন্ত ২৫ জন নিহত হয়েছেন এবং শতাধিক আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ইরানের গণমাধ্যম অনুসারে, ইসরাইলি হামলায় ইরানে এখন পর্যন্ত ৬৩৯ জন নিহত এবং ১৩০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

ফটোগ্যালারী

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.