ঘড়িতে রাত ১২টা বাজতেই বিকট শব্দে একাকার হয়ে ওঠে দেশের বিভিন্ন স্থান। রঙিন হয়ে ওঠে শহরের আকাশ। পটকা ও আতশবাজির শব্দে শিশু, অসুস্থরা ক্ষুব্ধ হলেও নগরীর মধ্য ও উচ্চবিত্ত মানুষ খ্রিষ্টীয় নতুন বছরকে বরণ করে নিতে উল্লাসে মেতে ওঠেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলতে থাকে ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ লিখে সবাইকে শুভেচ্ছা জানানো। এভাবে নানা আয়োজনে ২০২৫ সালকে বরণ করে নিল মানুষ।
গতরাতে শহরের প্রায় সব বহুভবনের ছাদেও ছিল উৎসব। নতুন বছরের প্রথম প্রহরে ছাদগুলো থেকে মুহুর্মুহু আতশবাজি ফাটানো হয়। বিভিন্ন এলাকা–সড়কেও আনন্দ–উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠা মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়।
এবার থার্টি ফার্স্ট নাইট ও খ্রিষ্টীয় নববর্ষ ২০২৫ উপলক্ষে মহানগর এলাকায় যেকোনো ধরনের আতশবাজি, পটকা ফাটানো ও ফানুস ওড়ানো নিষিদ্ধ করেছিল খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ। অনুমতি ছাড়া উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান, সভা-সমাবেশ, গণজমায়েত, নাচ, গান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র্যালি ও শোভাযাত্রার ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল।
তবে বর্ষবরণ উৎসব উদ্যাপনের বুনো জোয়ারে ভেঙেছে নিষেধাজ্ঞার বেড়াজাল। আইনশৃংখলা বাহিনীর নিস্ক্রিয়তা তা আরও গতি পায়। যা ক্ষুব্ধ করেছে শান্তিপ্রিয় নগরবাসীকে।








