ভারতের ক্রমাগত মিথ্যাচারে বিব্রত ও বিক্ষুদ্ধ বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়। বাংলাদেশে হিন্দু নারীরা শাখা-সিঁদুর পরে বাইরে বেরোতে পারেনা এমন ডাহা মিথ্যাচারের বিপরীত চিত্র বাংলাদেশে। হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের চেয়ে সেদেশে পলাতক শেখ হাসিনার সাথেই সম্পর্ক ভারতের। তাই পরাজয়ের জ্বালা মেটাতে এমন মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম।
৫ আগস্ট, ২০২৪, বাংলাদেশসহ বিশ্ববাসী প্রত্যক্ষ করে এক পরাক্রমশালী স্বৈরাচারের দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া। জনরোষে দেশ ছেড়ে যিনি আশ্রয় নেন ভারতে। এদিকে, মুক্তিকামী জনতা অবস্থান নেয় গণভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সংসদ ভবনে।
আওয়ামীগ সরকারের দেড় দশকের ভয়াবহ দুঃশাসনের কারণে বিক্ষুদ্ধ জনতা সেদিন দলটির কিছু নেতাকর্মীর বাড়ী ঘর ভাংচুর করে। রাজনৈতিক এই ঘটনাকে ভারতের গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় ইস্যু হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করে। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। তারা দেখানোর চেষ্টা করছে বাংলাদেশে হিন্দু নারীরা শাখা-সিদুঁর পরে বের হতে পারছেন না। আসলেই কী তাই? রাজধানীতে গেল শুক্রবারের দৃশ্য এটি।
ভারতের এমন প্রপাগান্ডায় বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ আতঙ্কে বলে জানান হিন্দু নেতা বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট এর মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক ও বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট এর চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার। তারা বলেন, আওয়ামীলীগই হিন্দু নির্যাতন করেছে বেশি।
আওয়ামী লীগ বার বার সংখ্যালঘু কার্ড খেলেছে বলে অভিযোগ করেছেন হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা। আর পশ্চিমবঙ্গের নেতারা ভোটের রাজনীতি এবং ভারতের গণমাধ্যমে সাংবাদিকতার নীতি নৈতিকতা ভুলে ভিউ বাণিজ্যের জন্য অপপ্রচার করছে বলেও ক্ষোভ জানান তারা।
বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের আতঙ্ক কাটাতে বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি ভারত সরকার ও দেশটির গণমাধ্যমেরও ভূমিকা রাখার কথা লেন তারা।








