সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা বা অযথা বিতর্ক নয়, বরং জাতীয় ঐক্য ও সহনশীলতাকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী একটি চক্র এখনো সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। তাই জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা এবং অভ্যন্তরীণ বিভাজন এড়িয়ে চলা সময়ের দাবি।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও দেশের মানুষের দুর্ভোগ বিবেচনায় এখনো দেশে দাম বাড়ানো হয়নি। এ খাতে সরকার প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে।
তারেক রহমান বলেন, মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, পল্লী উন্নয়ন, সমাজসেবা ও জনপ্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতি বছর স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়।
তিনি বলেন, দলীয় সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় নেতাদের অবদান যথাযথ সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করা জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করবে না।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মরণোত্তর পুরস্কার গ্রহণ করেন তার নাতনি জাইমা রহমান। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে অবদানের জন্য তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
এ বছর মোট সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন। তারা হলেন—মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল, ড. আশরাফ সিদ্দিকী, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, মাহেরীন চৌধুরী, বশীর আহমেদ এবং কাজী ফজলুর রহমান।
এছাড়া অন্যান্য পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক জহুরুল করিম, হানিফ সংকেত, জোবেরা রহমান, সাইদুল হক, মোহাম্মদ আবদুল বাকী, অধ্যাপক এম এ রহিম, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া এবং আবদুল মুকিত মজুমদার।
প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুরস্কার পেয়েছে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন, এসওএস শিশু পল্লী এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।








