সিরিজের দ্বিতীয় ও গুরুত্বপূর্ণ টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশের বিপক্ষে এটি পাকিস্তানের জন্য ‘বাঁচা-মরার’ ম্যাচ। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আগ্রাসী ব্যাটিং কৌশল বুমেরাং হওয়ায় সফরকারীদের এই সিদ্ধান্ত।
প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের পারফরম্যান্স তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। খুররাম মালিক মন্তব্য করেছেন, ব্যাটিং লাইনআপে এত বেশি ‘হিট-অর-মিস’ খেলোয়াড় রাখা যায় না। সামগ্রিকভাবে খারাপ কৌশল, অপ্রয়োজনীয় আগ্রাসন। পাকিস্তানের দলে অবশ্যই একজন বিচক্ষণ খেলোয়াড় দরকার।
পাকিস্তানের টপ-অর্ডার স্ট্রাইক ঠিক রাখতে হিমশিম খেয়েছে, ৬৯টি ডট বল খেলেছে এবং উইকেটরক্ষা ও শট নির্বাচনেও ছিল ভুল। কোচ হেসন পিচকে ‘আদর্শ নয়’ এবং ‘আন্তর্জাতিক মানের নয়’ বললেও, বাংলাদেশ ৭ উইকেট ও ২৭ বল হাতে রেখে ১১০ রান তাড়া করে সহজেই জিতেছিল, যা তার অভিযোগের সাথে অনেকটা সাংঘর্ষিক।
প্রথম ম্যাচের দাপটের পর চনমনে বাংলাদেশ
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দারুণ জয়ের পর বাংলাদেশ দল বেশ চনমনে মেজাজে রয়েছে। বাংলাদেশ বোলার তাসকিন আহমেদ, তানজিম হাসান এবং মোস্তাফিজুর রহমান, পাকিস্তানের পিচ বুঝতে না পারার সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছেন। কিছু ক্যাচ হাতছাড়া হলেও, তাদের সুশৃঙ্খল বোলিং পাকিস্তানকে মাত্র ১১০ রানে আটকে রাখে।
দুই দলের একাদশ:
বাংলাদেশ একাদশ: পারভেজ হোসেন ইমন, নাইম শেখ, লিটন দাস (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন, জাকের আলী, মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান, শরিফুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান।
পাকিস্তান একাদশ: ফখর জামান, সাইম আইয়ুব, মোহাম্মদ হারিস (উইকেটরক্ষক), হাসান নওয়াজ, সালমান আঘা (অধিনায়ক), মোহাম্মদ নওয়াজ, খুশদিল শাহ, ফাহিম আশরাফ, আব্বাস আফ্রিদি, সালমান মির্জা, আহমেদ দানিয়াল।








