প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভাষণ দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দেওয়া তার লিখিত বার্তায় তিনি দেশের শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক নারী উপস্থাপক তার লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শোনান। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বার্তায় মোজতবা খামেনি বলেন, ইরান তার শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতিদান দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং প্রয়োজনে নতুন কৌশলগত পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। তিনি হরমুজ প্রণালিকে ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, প্রয়োজন হলে এই সক্ষমতা ব্যবহার করা হতে পারে।
নতুন সর্বোচ্চ নেতা আরও বলেন, ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। তবে যেসব সামরিক ঘাঁটি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানো হবে, কেবল সেগুলোই লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হবে বলে তিনি সতর্ক করেন।
ভাষণে দেশটির সামরিক বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, কঠিন পরিস্থিতিতেও ইরানের সেনারা সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
এদিকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত শুরুর সময় এক হামলায় মোজতবা খামেনি আহত হন। তার পায়ের হাড় ভেঙে যাওয়ার পাশাপাশি চোখ ও মুখে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।
কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত সপ্তাহে হত্যাচেষ্টার সময় তিনি আহত হন। ওই হামলায় তার বাবা এবং সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন বলেও একাধিক সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মোজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, আহত হওয়ার কারণেই তিনি এখনও প্রকাশ্যে আসছেন না।







