বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশকে তিনি ও তাঁর দল “প্রথম ও শেষ ঠিকানা” হিসেবে দেখেন। তাই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের দায়িত্বও নিজেদেরই নিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার স্বাগত বক্তব্য দেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গঠন ও কার্যাবলি বিষয়ে সংক্ষিপ্ত উপস্থাপনা করেন কার্যালয়ের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী।
মতবিনিময়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষ সরকারের দিকে বড় প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে। সরকারের সাফল্য অনেকাংশে প্রশাসনের সহযোগিতার ওপর নির্ভর করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সহযোগিতা করলে সরকারও ভালোভাবে কাজ করতে পারবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই একটি নির্বাচনী ইশতেহার থাকে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ বিএনপির নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো বাস্তবায়নের পক্ষে রায় দিয়েছে—এ কারণে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নিতে হবে।
স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত, নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান, ক্রীড়াসহ ম্যানিফেস্টোতে থাকা বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সক্রিয় সহযোগিতা চান তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, মানুষ যেন নিরাপদ বোধ করে। সবাই একসঙ্গে কাজ করলে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রশাসনের পূর্ণ সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের সরকারি নিয়ম-নীতি কঠোরভাবে মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। দেশ ও রাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট গোপনীয়তা রক্ষার নির্দেশনাও দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে তারেক রহমানের প্রথম মতবিনিময় বলে জানানো হয়। সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান ও মাহ্দী আমিন উপস্থিত ছিলেন।







