এবার একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন উপমহাদেশের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অভিনেত্রী ববিতা।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন তিনি। আর এই পদক চলচ্চিত্র পরিচালক জহির রায়হানকে উৎসর্গ করেন ববিতা।
পদকপ্রাপ্তির পর ববিতা বলেন, ‘অবশেষে একুশে পদকপ্রাপ্ত হলাম। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে এই সম্মাননা গ্রহণ করেছি। আমাকে রাষ্ট্রের এই সর্বোচ্চ সম্মাননায় ভূষিত করায় রাষ্ট্রের প্রতি, এ দেশের মানুষের প্রতি, দর্শকের প্রতি মন থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। বাংলাদেশের মানুষের কাছে আমার অনেক ঋণ। কারণ আমি সিনেমাতে অভিনয় করেছি। আর এই দেশের মানুষ আমাকে তাদের ভালোবাসা দিয়ে সম্মানিত করেছেন। একুশে পদক রাষ্ট্রের অন্যতম সর্বোচ্চ সম্মাননা। এই সম্মাননা প্রাপ্তির পর সত্যিই মনটা ভরে গেছে আনন্দে, খুশিতে। আমি আবারও বলছি, আমি এই পদকটি শ্রদ্ধেয় শহিদ বুদ্ধিজীবী জহির রায়হানকে উৎসর্গ করলাম। কারণ তার হাত ধরেই আমার চলচ্চিত্রে আসা। তাই আমার একুশে পদকপ্রাপ্তি তাকেই শ্রদ্ধার সঙ্গে উৎসর্গ করছি।’
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে এবারের পদকপ্রাপ্তরা একুশে পদক গ্রহণ করেন। পদক গ্রহণ শেষে মিলনায়তনে উপস্থিত সম্মানিত বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে বেশ কিছুটা সময় কাটান ববিতা।
এ সময় অভিনেত্রীর সঙ্গে ছিলেন তারই ছোটবোন নায়িকা চম্পাসহ ববিতার পরিবারের অন্য সদস্যরা। একুশে পদকপ্রাপ্তিতে এরই মধ্যে দেশ-বিদেশের অগণিত ভক্তের কাছ থেকেও শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন ববিতা।
জহির রায়হানের ‘সংসার’ চলচ্চিত্রে শিশুশিল্পী হিসেবে ববিতার আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৬৮ সালে। এতে রাজ্জাক-সুচন্দার মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। জহির রায়হানের ‘জ্বলতে সুরুজ কি নিচে’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে গিয়েই তার নাম ‘ববিতা’ হয়ে যায়।
১৯৬৯ সালে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন প্রথম নায়িকা চরিত্রে। তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন ববিতা। তিনি সবশেষ অভিনয় করেন ২০১৫ সালে নারগিস আক্তারের ‘পুত্র এখন পয়সাওয়ালা’ চলচ্চিত্রে।







