সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২, ২৬ রমজান ১৪৪৭, বসন্তকাল

নতুন রাষ্ট্রপতি: সর্বোচ্চ আলোচনায় ২ জন

কলিকাল প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে নতুন সরকার গঠনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তুঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য শপথের তারিখ ঘনিয়ে আসায় এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন।

নির্বাচন শেষে নবনির্বাচিত সরকারের কাছে শিগগিরই ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। নতুন সরকার শপথ নেওয়ার প্রাক্কালে তিনি কোনো সাংবিধানিক পদে থাকবেন কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও গুঞ্জন রয়েছে- নতুন সরকার চাইলে সাংবিধানিক কাঠামোর ভেতরে তাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখা যেতে পারে।

তবে তারেক রহমানের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, ড. ইউনূসকে নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট পদ চূড়ান্ত হয়নি এবং এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। অন্যদিকে ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে মত দিয়েছেন, ড. ইউনূস রাষ্ট্রপতি হলে দেশ উপকৃত হতে পারে। যদিও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং ড. ইউনূসের প্রেস সচিব এ ধরনের আলোচনার কথা অস্বীকার করেছেন। প্রেস সচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব শেষে ড. ইউনূস সামাজিক ব্যবসা, তরুণদের নিয়ে কাজ এবং ‘শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব ও শূন্য নিট কার্বন নিঃসরণ’ ধারণা প্রচারে মনোযোগ দিতে চান।

এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের পথে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন এবং একই দিনে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতে পারে। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পাঠ করান।

দলীয় সূত্র ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি পদে এগিয়ে রয়েছেন। তিনি ঠাকুরগাঁও থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং দীর্ঘদিন ধরে দলের শীর্ষ নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে শক্ত অবস্থানে রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতির পদে আলোচনায় আরও রয়েছেন নজরুল ইসলাম খান, ড. আবদুল মঈন খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী এবং অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. নুরুল আমিন ব্যাপারী।

নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে। অভিজ্ঞ ও তরুণ নেতৃত্বের সমন্বয়ে ভারসাম্যপূর্ণ মন্ত্রিসভা গঠনের পরিকল্পনা চলছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার গঠন ও শপথ সংক্রান্ত সব প্রক্রিয়া সংবিধান অনুযায়ী সম্পন্ন করা জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে কোনো আইনি জটিলতা সৃষ্টি না হয়।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

ত্বক কালচে হওয়ার কারণ
৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ
শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সিরিজ জয়
ইসরাইলে নতুন করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের
৫ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ
অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান
ঈদ উপলক্ষে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আর্থিক সহায়তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
লাইলাতুল কদর উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হলে সংবিধান সংশোধন করতে হবে’
সংসদে দেখে দেখে বলা অনুমোদিত না: স্পিকার
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের পথে
৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার
শিশু হত্যাকারী নেতানিয়াহুকে খুঁজে বের করে হত্যা করব: ইরান
হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান ট্রাম্পের
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন
বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন জামায়াত নেতা
জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহার
মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে আজ
সংসদ অধিবেশন শুরু
সোমবার দিনাজপুর সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ফটোগ্যালারী

[custom_gallery]

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.