রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকার একটি স্কুলে শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় রাজধানীর পল্টন থানায় মামলা করেন শিশুটির মা। দুজনকে আসামি করে শিশু আইনের ৭০ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে। এ মামলায় স্কুলের ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ভোরে মিরপুর এলাকার একটি বাসা থেকে পল্টন থানার পুলিশ পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে গ্রেফতার করে।
সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (মতিঝিল জোন) হুসাইন মুহাম্মদ ফারাবী প্রথম আলোকে গ্রেফতারের বিষয়টি জানিয়েছেন।
পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, পল্টন থানার পুলিশের আরেকটি দল আরেক আসামি শারমিন জাহানকে গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে।
১৮ জানুয়ারি নয়াপল্টন এলাকার মসজিদ রোডে শারমিন একাডেমি নামের একটি স্কুলে একটি শিশুকে নির্যাতন করা হয়। শিশুটি স্কুলে প্রি–প্লে শ্রেণিতে পড়ত। তার বয়স চার বছরের কম।
ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, একটি অফিসকক্ষে স্কুলের পোশাক পরা একটি শিশুকে নিয়ে ঢুকলেন এক নারী। শিশুটিকে প্রথমে ওই নারী চড় দিলেন। এরপর শিশুটির ওপর চড়াও হলেন আগে থেকেই অফিস কক্ষে থাকা এক পুরুষ। ওই পুরুষ কখনো শিশুটির গলা চেপে ধরছিলেন, কখনো মুখ চেপে ধরছিলেন। হাতে স্ট্যাপলার ছিল। ওই নারী হাত ধরে তাকে আটকে রাখছিল। একপর্যায়ে শিশুটি ওই নারীর শাড়িতে থুতু ফেললে পুরুষটি শিশুটির মাথা শাড়িতে থুতু ফেলার জায়গায় চেপে ধরেন এবং সেই অবস্থায় কয়েকবার শিশুর মাথায় ঝাঁকি দেন।
ভিডিও ফুটেজে থাকা নারীটি শারমিন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক শারমিন জাহান।













