শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ২১ জমাদিউস সানি ১৪৪৭, হেমন্তকাল

‘আমাকে নিয়ে কেন এত আলোচনা হয়?’

বিনোদন ডেস্ক

ওপার বাংলার অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র। ইদানীং কলকাতার চেয়ে মুম্বাই তথা আরব সাগরের তীরেই যেন দেখা যাচ্ছে। ভক্তরা বলছেন, প্রিয় তারকাকে শহরে আগের মতো আর দেখা যাচ্ছে না। তবে সব জল্পনা উড়িয়ে আসন্ন সিনেমা ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’-এর প্রচারণায় এখন কলকাতাতেই ব্যস্ত সময় পার করছেন রুক্মিণী।

বাবা-মেয়ের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে নির্মিত এই সিনেমার প্রচারণায় এসে বারবার স্মৃতিকাতর হয়ে পড়ছেন অভিনেত্রী। ২০১৭ সালে বাবাকে হারিয়েছেন তিনি। সিনেমার গল্প যেন তাকে বারবার ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বাবার স্মৃতিতে।

মুম্বাই যাতায়াত নিয়ে চলা ফিসফাস প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে রুক্মিণী বলেন, ‘সবাই এখন আমার মুম্বাই যাতায়াত নিয়ে কথা বলছে। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই মায়ানগরীর সঙ্গে আমার গভীর সংযোগ। বাবা বলতেন, পরীক্ষায় ভালো ফল করলে মুম্বাই নিয়ে গিয়ে মনের মতো জিনিস কিনে দেবেন।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের উপস্থিতি ও সমালোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব একটা সক্রিয় নই, কাজের প্রয়োজনে যতটুকু দরকার ততটুকুই থাকি। এরপরও আমাকে নিয়ে কেন এত আলোচনা হয়, তা আমার জানা নেই।’

বাবার মৃত্যুর পর মা মধুমিতা মৈত্রই ছিলেন রুক্মিণীর জগত। মা তাকে এবং ভাই রাহুলকে আগলে রেখেছেন বন্ধুর মতো। তবে নতুন সিনেমার গল্পটি রুক্মিণীকে ভাবিয়ে তুলেছে মায়ের একাকীত্ব নিয়ে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক সময় ভুলে যাই যে, বাবা-মা হওয়ার আগে তারাও মানুষ। তাদেরও নিজস্ব চাওয়া-পাওয়া থাকে। সব কথা কি আর সন্তানদের সঙ্গে বলা যায়? তাদেরও সঙ্গীর প্রয়োজন হতে পারে। পরিচালক অর্ণব সিনেমায় এই বিষয়টিই তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।’

তার কথায়, ‘মাঝে মাঝে ভাবি, আমার তো নিজস্ব জগত আছে, কাজ আছে, বন্ধুরা আছে কিন্তু মায়ের হয়তো একা লাগে। সব কথা কি তিনি আমার সঙ্গে ভাগ করতে পারেন?’

বছরের শুরুটা হয়েছিল ‘বিনোদিনী: একটি নটীর উপাখ্যান’ দিয়ে, আর শেষ হচ্ছে ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’ দিয়ে। ক্যারিয়ারের এই বাঁক বদল নিয়ে বেশ আশাবাদী রুক্মিণী। নেতিবাচক মন্তব্যকে পাত্তা দিতে নারাজ অভিনেত্রী। সমালোচকদের উদ্দেশ্যে অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘হাজারটা ভালো মন্তব্যের ভিড়ে খারাপগুলোকে কেন গুরুত্ব দেব? আমি ইতিবাচক দিকটাই দেখতে চাই। মনে রাখবেন, আমি মেয়ে হতে পারি, কিন্তু বোকা মেয়ে নই।’

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

ফটোগ্যালারী

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.