টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৬৫ রানে আটকে দিয়েছে বাংলাদেশ। অধিনায়ক লিটন দাসের প্রত্যাবর্তনের দিনে দারুণ বোলিং নৈপুণ্য দেখিয়েছে টাইগাররা। ফলে বাংলাদেশকে জিততে হলে করতে হবে ১৬৬ রান।
টসের পর ম্যাচের গতিপথ
ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জেতা বাংলাদেশ এই ম্যাচে টস জিততে পারেনি। টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি এবং টানা পঞ্চম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামে স্বাগতিকরা।
পাওয়ার প্লেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ খুব বেশি সুবিধা করতে পারেনি। নাসুম আহমেদের কৃপণ বোলিংয়ের কারণে ৬ ওভারে তারা বিনা উইকেটে ৩৫ রান তুলতে সক্ষম হয়।
রিশাদ ও তাসকিনের জোড়া আঘাত
উইকেটে সেট হওয়ার পর রানের গতি বাড়াতে শুরু করেন ক্যারিবিয়ান ওপেনার আলিক আথানেজ। তবে দলের ৮.২ ওভারে স্পিনার রিশাদ হোসেন সেই জুটি ভাঙেন। ২৭ বলে ৪টি চার ও ১ ছক্কায় ৩৪ রান করা আথানেজকে বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান তিনি।
এক উইকেটে ৮২ রানে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসে বড়সড় ধাক্কা দেন পেসার তাসকিন আহমেদ। ১৩তম ওভারে টানা দুই বলে তিনি তুলে নেন দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। প্রথমে তিনি ব্র্যান্ডন কিংকে (৩৩ রান) তানজিম সাকিবের ক্যাচ বানান। কিং ৩৬ বলে ১ চার ও ২ ছক্কায় ফেরেন। পরের বলেই নতুন নামা শেরফানে রাদারফোর্ডকে (০) উঠিয়ে মারতে গিয়ে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৮২ রানেই ৩ উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
অধিনায়ক লিটন দাসের প্রত্যাবর্তন দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা লিটন বর্তমানে দেশের সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি রানসংগ্রাহক।
বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, নুরুল হাসান, শামীম হোসেন, তাওহীদ হৃদয়, তাসকিন আহমেদ, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, নাসুম আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান।








