কুশল মেন্ডিসের ফিফটিতে ছয় উইকেটের জয় পায় গতবারের ফাইনালিস্ট শ্রীলঙ্কা। হ্যাটট্রিক জয়ের মাধ্যমে ‘বি’ গ্রুপের শীর্ষে থেকে সুপার ফোর নিশ্চিত করে দলটি। এতে ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়েছে বাংলাদেশ দলেরও।
শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান ম্যাচের ওপর ঝুলে ছিল বাংলাদেশ দলের ভাগ্য। গতকাল আফগানরা ৭০ রানের কমে জয় পেলে এশিয়া কাপ থেকে বিদায় নিতে হতো লিটনদের। তবে সেই পথ আর ধরতে হয়নি। পরের পর্বের জন্য দুবাইয়ে থাকার বন্দোবস্ত হয়ে গেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের।
যদিও টস জিতে লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল আফগানিস্তান। দুই ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও সাদেকউল্লাহ অটল প্রথম দুই ওভারে ২৬ রান তোলেন। বেশি আগ্রাসী হতে গিয়েই তৃতীয় ওভারে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন গুরবাজ, আট বলে ১৪ রান করে। পরে অটল আউট হন ১৮ রানে। এরপর আফগানরা বড়সড় ধাক্কা খায়।
লঙ্কান বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং সামলাতে না পেরে ৭৯ রানে ছয় উইকেট হারায়। করিম জানাত (১), ডারউইশ রাসুলি (৯), ইব্রাহিম জাদরান (২৪), আজমতউল্লাহ ওমরজাই (৬) ইনিংস বড় করতে পারেননি। শেষ দিকে রশিদ খানের (২৪) সঙ্গে মোহাম্মদ নবীর ৩৫ রানের জুটিতে আবার ঘুরে দাঁড়ায় দলটি। শেষ দুই ওভারে তাণ্ডব চালান নবী। ওই দুই ওভার থেকে আফগানরা তোলেন ৪৯ রান, ৪৭ রানই আসে নবীর ব্যাট থেকে।
নবীর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের পরও লঙ্কানরা ১৭০ রানের জবাব দিতে কম যাননি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ২ উইকেট হারালেও ৫৩ রান তুলে লড়াই ধরে রাখে দলটি। যদিও আগের দুই ম্যাচে ফিফটি করা ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা গতকাল মাত্র ছয় রানে আউট হন। তিনে নামা কামিল মিশ্রা চার রানে ফেরেন। অন্য প্রান্তে রান তোলার গতি ঠিক রেখে টুর্নামেন্টে নিজের প্রথম ফিফটি তুলে নেন কুশল। এর আগে অবশ্য ২৮ রান করে আউট হন কুশল পেরেরা। তবে অধিনায়ক আশালঙ্কা (১৭) এবং ছয়ে নামা কামিন্দু মেন্ডিস (২৬*) রানের গতি কমতে দেননি। আট বল আগেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে শ্রীলঙ্কা। কুশল ৫২ বলে ৭৪ রানে অপরাজিত থাকেন।









