বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, ৩ জিলহজ ১৪৪৭, গ্রীষ্মকাল

সময়ের প্রেক্ষাপটে

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এখন কার দখলে?

কলিকাল প্রতিনিধি

ছবি : দৈনিক কলিকাল

গুলিস্তানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়টি প্রায় এক বছর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকার পর পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন করার কাজ শুরু হয়েছে। গত বুধবার থেকে ১০তলা এই ভবন পরিষ্কার করা শুরু হয়েছে। ভবনটির সামনে ‘আন্তর্জাতিক ফ্যাসিজম ও গণহত্যা গবেষণা ইনস্টিটিউট’ নামে দুটি ব্যানার টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, তৃতীয় তলায় জমে থাকা ইটের খোয়া ও ময়লা-আবর্জনার স্তূপ পরিষ্কার করা হচ্ছে। দোতলায় জমে থাকা আবর্জনা ইতিমধ্যে পরিষ্কার করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকেই নিচতলা পরিষ্কার করা হয়।

দেখা যায়, ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি ভবনটি পরিষ্কারের কাজ করছেন। এ সময় তারা বলেছেন, “পুরো ভবন তারা পরিষ্কার করবেন।” তাছাড়া ভবনটির সামনে প্লাস্টিকের চেয়ারে বেশ কয়েকজন ব্যক্তিকে বসে থাকতে দেখা গেছে।

আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে ‘আন্তর্জাতিক ফ্যাসিজম ও গণহত্যা গবেষণা ইনস্টিটিউট’ নামের ব্যানার টাঙানের বিষয়ে জানতে চাইলে সেখানে অবস্থানরত ব্যক্তিরা বলেন, “পুরো ভবনটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যারা যুক্ত ছিলেন, তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এই ভবনে গত বছরের জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তিদের অফিস, শহীদ পরিবারের অফিস করা হবে।”

তারা আরো বলেন, “পুরো ভবনের কোন তলায় কী হবে, তা ছাত্র-জনতা ঠিক করে নেবে।”

তবে, সেখানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের কেউ নিজেদের নাম–পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি হননি। এদিকে আন্তর্জাতিক ফ্যাসিজম ও গণহত্যা গবেষণা ইনস্টিটিউট নামের এই প্রতিষ্ঠান কে তৈরি করেছে, এর সঙ্গে কারা যুক্ত, কীভাবে এই নাম এসেছে-সেসব প্রশ্নে ওই ব্যক্তিরা কিছু বলতে রাজি হননি।

কার্যালয়টির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ছবি তুলছিলেন আবদুস ছাত্তার নামের এক পথচারী। তিনি বলেন, “একটি দল স্বৈরাচারী হয়ে উঠলে পরিণতি কী হতে পারে, এই ভবনটি দেখলেই তা বোঝা যায়। দেশের প্রাচীন দল আওয়ামী লীগের এমন করুণ পরিণতি থেকে অন্যদের শিক্ষা নেওয়া উচিত।”

কার্যালয়ের সামনের দুজন দোকানি বলেন, “পোড়া এই ভবনের নিচতলা এত দিন শৌচাগার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। মলমূত্র জমে থাকার কারণে উৎকট গন্ধ আশপাশে ছড়িয়ে পড়ত। ভবনটির সামনে দিয়ে চলতে গেলে নাক চেপে যেতে হতো।”

উল্লেখ্য, গুলিস্তান এলাকায় ১০ তলাবিশিষ্ট আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়টি ২০১৮ সালের ২৩ জুন উদ্বোধন করেছিলেন দলের সভাপতি ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সেখানে দৃষ্টিনন্দন ভবন নির্মাণ করা হয়েছিল। ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভবনটিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এরপর আগস্ট মাসজুড়ে চলে লুটপাট। তখন থেকে এই ভবন অনেকটা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে যা বললেন সিইসি
জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ট্রেনের সঙ্গে গরুবাহী পিকআপের সংঘর্ষ
হাম উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু
সেনাবাহিনীর ভূমিকা জাতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ রাখবে: সেনাপ্রধান
দেশ স্থিতিশীল হওয়ায় ব্যারাকে ফিরে যাচ্ছে সেনাসদস্যরা
রামিসা হত্যার বিচার দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
শিক্ষাব্যবস্থায় আসছে বড় পরিবর্তন: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
গণমাধ্যম কমিশন গঠন নিয়ে নতুন তথ্য জানালেন তথ্যমন্ত্রী
রাজধানীতে শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার
টিকা সংকটের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ
হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু
বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি ২১ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনের ভিত্তি প্রস্তরস্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
সকল চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটি স্থগিত
ওমানে মৃত্যু: ৪ ভাইয়ের মরদেহ আজ রাতে দেশে ফিরবে
সেতুমন্ত্রী অবরুদ্ধ, উদ্ধার করল পুলিশ!
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের পথে বাংলাদেশ
যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে যেসব শর্ত দিয়েছে ইরান
নকলায় ভূমি সেবা মেলা শুরু
সমুদ্রপাড়ে ফুরফুরে মেজাজে প্রভা

ফটোগ্যালারী

[custom_gallery]

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.