শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, ২১ জমাদিউস সানি ১৪৪৭, হেমন্তকাল

কিসাসই এসব কসাইয়ের সমাধান : আহমাদুল্লাহ

কলিকাল ডেস্ক

ছবি : সংগৃহীত

দেশের প্রখ্যাত ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেছেন, ‘কিসাসই এসব কসাইয়ের সমাধান।’

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া নৃশংস হত্যাকাণ্ড নিয়ে শুক্রবার (১১ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই মন্তব্য করেন।

স্ট্যাটাসে শায়খ আহমাদুল্লাহ কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার নাম উল্লেখ না করলেও তার ইঙ্গিত রাজধানীর পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ব্যবসায়ী সোহাগকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা এবং চাঁদপুরে জুমার নামাজের পর এক ইমামকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে আহত করার ঘটনার দিকেই বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন, ‘কিসাস অর্থ সমপরিমাণ শাস্তি। যেভাবে যতটুকু জুলুম হবে, ঠিক সেভাবে ততটুকু প্রতিকার করা হলো কিসাস। কেন কুরআনে কিসাসের কথা বলেছে, তা আমরা দেয়ালে পিঠ ঠেকলে উপলব্ধি করতে পারি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ধরণের চাঞ্চল্যকর হত‍্যাকাণ্ডের বিচার সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে শেষ করতে পারলে অপরাধের প্রবণতা কমে যাবে। প্রচলিত পদ্ধতিতে বছরের পর বছর ধরে বিচার চললে, আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে পার পাওয়ার পথ খোলা থাকলে এ ধরণের অপরাধ কখনো কমবে না।’

গত শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর পুরান ঢাকায় চাঁদ মিয়া ওরফে সোহাগ নামে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। জানা যায়, এলাকায় বৈদ্যুতিক তার কেনাবেচার ব্যবসায় একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ ছিল সোহাগের হাতে। সেই নিয়ন্ত্রণ নিতে চেয়েছিল মহিন ও টিটু নামের দুই ব্যক্তি। ব্যর্থ হয়ে তারা সোহাগের ওপর হামলার পরিকল্পনা করে।

একই দিনে চাঁদপুর শহরের প্রফেসর পাড়ার মোল্লা বাড়ি জামে মসজিদে জুমার নামাজের পর মুসল্লি বিল্লাল হোসেন খুতবায় অসন্তুষ্ট হয়ে ইমাম মাওলানা আ. ন. ম. নূরুর রহমান মাদানীকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে।

দুই ঘটনাই দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ন্যায়বিচারের দাবি তুলছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিশিষ্টজনরা।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

ফটোগ্যালারী

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.