বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩, ২৭ শাওয়াল ১৪৪৭, গ্রীষ্মকাল

ছাত্রনেতা সাম্য হত্যার প্রতিবাদে ঢাবি ভিসি ও প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি বাকৃবি ছাত্রদলের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহরিয়ার আলম সাম্য-কে নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদে, হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিতের দাবিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্রদল।

আজ বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এই কর্মসূচি শুরু হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোঃ আতিকুর রহমান, সদস্য সচিব মোঃ শফিকুল ইসলাম, সদস্য ইসমাইল হোসেনসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ।

তারা “সাম্যের রক্ত বৃথা যেতে পারে না”, “নিরাপদ ক্যাম্পাস চাই”, “ভিসি-প্রক্টরের পদত্যাগ চাই”—ইত্যাদি স্লোগান দেন।

নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, সাম্য হত্যাকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি একটি ধারাবাহিক দমননীতি ও ভিন্নমত দমনের ষড়যন্ত্রের অংশ। তারা বলেন, সাম্য ছিলেন মেধাবী ও প্রতিশ্রুতিশীল ছাত্রনেতা। তার কণ্ঠরোধ করতে একশ্রেণির দখলদার চক্র তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।

অবস্থান কর্মসূচি থেকে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়:

১. শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি,

২. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রক্টরের পদত্যাগ,

৩. দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের নিরাপত্তা ও মুক্ত মতপ্রকাশের নিশ্চয়তা।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোঃ আতিকুর রহমান বলেন, “শাহরিয়ার আলম সাম্য ছিল ছাত্ররাজনীতির একজন সাহসী, মেধাবী ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মী। তাকে হত্যা করে শুধু একজন ছাত্রনেতাকে নয়, একটি প্রজন্মের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে হত্যা করা হয়েছে। আজ আমরা অবস্থান নিয়েছি প্রশাসনিক ভবনের সামনে, কিন্তু আমাদের অবস্থান কেবল এই ভবনের সামনে নয়—আমরা অবস্থান নিয়েছি দেশের সব সচেতন ছাত্র-জনতার হৃদয়ে।”

তিনি আরও বলেন– ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মত দেশের প্রধান বিদ্যাপীঠে যখন ভিন্নমতের ছাত্রকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, তখন তা শুধু সাম্যর নয়—প্রত্যেক শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে। আমরা প্রশ্ন করছি—একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কীভাবে প্রশাসনের ছায়াতলে এমন নৃশংসতা সংগঠিত হয়?

আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, সাম্য হত্যার দায় ঢাবির ভিসি ও প্রক্টর এড়াতে পারেন না। তাদের পদত্যাগ এখন সময়ের দাবি, নৈতিক দায়িত্ব। আমরা চাই না আর কোনো মায়ের বুক খালি হোক, আমরা চাই না আর কোনো ভাইকে নিথর হয়ে পড়ে থাকতে দেখুক এই প্রিয় ক্যাম্পাসগুলো।

আমাদের দাবি খুবই স্পষ্ট—সাম্য হত্যার বিচার, নিরাপদ ক্যাম্পাসের নিশ্চয়তা এবং ঘাতকপ্রশ্রয়দাতাদের অপসারণ।আমরা হুঁশিয়ার করছি, যদি এসব দাবি অগ্রাহ্য করা হয়, তাহলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। ছাত্রদল কখনও রক্তের ঋণ ভুলে না। শাহরিয়ার আলম সাম্য আমাদের মনে থাকবে, সংগ্রামে থাকবে, আদর্শে থাকবে।”

 

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

আজ ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী
টাইমের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
‘আমিও অনলাইন ক্লাস চাই না, পৃথিবী চায়’
বিয়ে আমার জীবনের একটি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল: অপু বিশ্বাস
৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত
ভিসা ছাড়া বিশ্বের ৩৬ দেশ ভ্রমণে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা
কাল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান নতুন দফা বৈঠক
জেনিফার লোপেজের ‘নতুন শুরু’!
নেইমার বিষয়ে আনচেলত্তিকে যা বললেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট
‘মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে’
দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার বন্ধ ঘোষণা
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী
এনআইডি সংশোধনে ইসির কঠোর নিয়ন্ত্রণ
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনে করবেন প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীতে ২০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
আজ পহেলা বৈশাখ
নকলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ
ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনায় বিচলিত নন পোপ লিও
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জামায়াত আমির

ফটোগ্যালারী

[custom_gallery]

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.