দীর্ঘ চার মাস চিকিৎসা শেষে যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে আজ দেশে ফিরলেন বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গুলশানে তার বাসভবন ফিরোজার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তার সঙ্গে আছেন দুই পুত্রবধূ জুবাইদা রহমান ও সৈয়দা শর্মিলা রহমান সিঁথি।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৪২ মিনিটে খালেদা জিয়াকে বহনকারী কাতারের রাজপরিবারের দেওয়া বিশেষ বিমান (এয়ার অ্যাম্বুলেন্স) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
খালেদা জিয়ার আগমনকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। একইসঙ্গে তাকে অভ্যর্থনা জানাতে আসা নেতাকর্মীদের উদ্দেশে কয়েকটি নির্দেশনাও জারি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী –
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি: বিমানবন্দর থেকে লা মেরিডিয়েন হোটেল পর্যন্ত।
ছাত্রদল: লা মেরিডিয়েন হোটেল থেকে খিলক্ষেত পর্যন্ত।
যুবদল: খিলক্ষেত থেকে হোটেল র্যাডিসন পর্যন্ত।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি: হোটেল র্যাডিসন থেকে আর্মি স্টেডিয়াম পর্যন্ত।
স্বেচ্ছাসেবক দল: আর্মি স্টেডিয়াম থেকে বনানী কবরস্থান পর্যন্ত।
কৃষক দল: বনানী কবরস্থান থেকে কাকলী মোড় পর্যন্ত।
শ্রমিক দল: কাকলী মোড় থেকে বনানীর শেরাটন হোটেল পর্যন্ত।
ওলামা দল: তাঁতী দল, জাসাস ও মৎস্যজীবী দল : শেরাটন হোটেল থেকে বনানী কাঁচাবাজার পর্যন্ত।
পেশাজীবী সংগঠনগুলো: বনানী কাঁচাবাজার থেকে গুলশান-২ পর্যন্ত।
মহিলা দল : গুলশান-২ নম্বর গোলচত্বর থেকে গুলশান অ্যাভিনিউ রোড পর্যন্ত।
জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্যরা: গুলশান-২ গোলচত্বর থেকে গুলশান অ্যাভিনিউ পর্যন্ত অবস্থান করবেন। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত বিএনপির নেতাকর্মীরা যার যার সুবিধামতো অবস্থান নেবেন বলে দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে।
নেতাকর্মীরা দলীয় পতাকা ও জাতীয় পতাকা হাতে রাস্তার এক পাশে ফুটপাতে দাঁড়াবেন। খালেদা জিয়ার গাড়ির পেছনে মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে যাওয়া যাবে না। গাড়ির পেছনে হেঁটেও যাওয়া যাবে না। এ ছাড়া বিমানবন্দরের ভেতরে ও খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবনে কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না।








