ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত বর্ষবরণ শোভাযাত্রা এবার নানা বিতর্ক ও বিষণ্নতার ছায়ায় ঢাকা পড়েছে। শোভাযাত্রায় ব্যবহার হওয়ার কথা ছিল ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ লেখা ব্যানারটি, তবে আয়োজক কর্তৃপক্ষ সেটি শেষ মুহূর্তে কেড়ে নেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৯টায় চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ শুরু হলে নানা শ্রেণী-পেশা-ধর্ম-বর্ণের মানুষ নিজেদের মতো নানা ব্যানার-প্ল্যাকার্ড নিয়ে উপস্থিত ছিলেন।
অন্য প্ল্যাকার্ড নিয়ে আয়োজক কর্তৃপক্ষের দিক থেকে আপত্তি না জানানো হলেও এ প্ল্যাকার্ড নিয়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সরিয়ে ফেলতে বলা হলে স্বেচ্ছাসেবকরা সরিয়ে ফেলে।
এবারের শোভাযাত্রায় রাষ্ট্রী হস্তক্ষেপ, সরকারের মৌলবাদী তোষণ নিয়ে বাংলাদেশের প্রগতিশীল রাজনীতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সভাপতি শাহ আলম বলেন, ‘এমন নিরানন্দ শোভাযাত্রা পাকিস্তান আমলেও হয়নি।’
ছায়ানটের আয়োজনে অংশ নিতে রমনার বটমূলে উপস্থিত হয়েছিলেন বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক পর্ষদের সদস্য আনিসুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা ছোটবেলা থেকেই রমনার বটমূলে ছায়ানটের আয়োজনে অংশ নিই। এবার মানুষের আনাগোনা তুলনামূলক কম ছিল। গতকাল চট্টগ্রামের ডিসি হিলে বর্ষবরণের মঞ্চ ভাঙচুর হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রমনার সাংস্কৃতিক আয়োজনের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক প্রচারণা চালানো হয়েছে। সাধারণ মানুষ ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের মধ্যে কিছুটা ভীতি কাজ করেছে। এর প্রভাব পড়েছে আজকের জমায়েতে।’








