বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩, ১১ জিলকদ ১৪৪৭, গ্রীষ্মকাল

সবজির পাশাপাশি মাছের দামও বেশি

পবিত্র রমজান মাসজুড়ে সবজির বাজার ছিল কিছুটা স্থিতিশীল। তবে ঈদ শেষে হঠাৎ করেই বাজারে বেড়েছে সবজি ও মাছের দাম। যা রমজানের তুলনায় কেজিতে গড়ে ২৫-৩০ টাকা বেশি।

সবজির পাশাপাশি বেড়েছে মাছের দামও। পাঙাশের কেজি এখন বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৩০ টাকায়, যেখানে ঈদের আগেও এর দাম ছিল ১৮০-১৯০ টাকা। এছাড়া পাবদা, টেংরা, রুইসহ অধিকাংশ মাছের দাম ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

এ অবস্থায় নিত্যপণ্যের ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

আজ শুক্রবার (১১ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে সয়াবিন তেলের সংকট চলছে। আগের চেয়ে নির্ধারিত দাম না বাড়লেও অনেক দোকানে সয়াবিন তেল নেই। যে কারণে অনেকে বোতলের গায়ের দামের চেয়ে কেজিপ্রতি ৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি করছেন।

সবজি বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে বর্তমানে চাহিদার তুলনায় সবজির সরবরাহ কম। শীতের অধিকাংশ সবজি শেষ হয়ে গেছে আর গ্রীষ্মের অনেক সবজি এখনও বাজারে কম। এ কারণে দাম বেড়েছে।

এদিকে, বাজারে আবারও সয়াবিন তেলের কিছুটা সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক দোকানেই তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কিছু দোকানে পাওয়া গেলেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে। অর্থাৎ কোনো দোকানে ৫ লিটারের বোতলজাত তেল থাকলেও এক-দুই লিটারের বোতল পাওয়া যাচ্ছে না। আবার কোনো কোনো দোকানে প্রতি লিটারে নির্ধারিত দাম ১৭৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৮০ টাকা বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বিক্রেতারা বলেন, আজ ঈদের পর প্রথম একটা কোম্পানি তেল দিয়ে গেছে। দুই লিটারের মাত্র তিন কার্টন তেল। আর বলেছে, দাম বাড়ানোর আগে মাল দেবে না। নতুন রেট এলে নতুন তেল পাবেন।

এদিকে রাজধানীর বাজারগুলোতে নদীর দেশি চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা দুই সপ্তাহ আগেও ৭০০ থেকে ৮৫০ টাকা ছিল। চাষের চিংড়িও বেড়ে ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকা হয়েছে। ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেড়ে টেংরা মাছ এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায়।

শুধু চিংড়ি কিংবা টেংরা নয়, দেশি শিং ও শোল মাছের দামও চড়া। শিং ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা, শোল ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এমনকি পুঁটি মাছও বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়। বড় আকৃতির রুই মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। পাঙ্গাস ও তেলাপিয়ার মতো সাধারণ চাষের মাছও বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা।

ক্রেতারা বলেন, বাজারে মাছের দাম অসহনীয়। এমন দাম দিয়ে সপ্তাহে একবার মাছ কেনাও কষ্টকর। এখন মাছ খাওয়া যেন বিলাসিতায় রূপ নিয়েছে। বাসায় বাচ্চারা ছোট মাছ খেতে চায়, কিন্তু বাজারে পাবদা বা শিংয়ের দাম শুনে কেবল আফসোসই করা যায়।

উল্লেখ্য, সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে একলাফে ১৮ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে ভোজ্যতেল পরিশোধন কারখানার মালিকরা। তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে দুই দফা বৈঠকের পরও দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

৮ মে মুক্তি পাচ্ছে থালাপতি বিজয়ের শেষ সিনেমা ‘জন নায়কন’
পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারে ৩৩তম দেশ বাংলাদেশ
সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল
জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো আদানির ৯২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, কমবে লোডশেডিং
আমরা মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী
কোস্ট গার্ডের বহরে হেলিকপ্টার যুক্ত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মার্কিন অবরোধ ডিঙিয়ে তেল রপ্তানি করছে ইরান
“রক্তদানে আমরা শেরপুর” সংগঠনের নকলা কমিটি গঠন: সভাপতি সোহাগ, সম্পাদক সজিব
মেয়েদের স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা বিনামূল্যে করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে বোলিংয়ে বাংলাদেশ
মা-বোনদের এলপিজি কার্ড দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
রাশিয়া পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি
‘জরুরি সেবায় জ্বালানি রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে’
হাম ও এর উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু
ফের শাহবাগে শিক্ষক-পুলিশ মুখোমুখি
প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবে কান দেবেন না: শিক্ষামন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক বৈঠক অনুষ্ঠিত
মাস সেরার পুরস্কার জিতে ইতিহাস গড়লেন ইয়ামাল
উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ফটোগ্যালারী

[custom_gallery]

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.