স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচন আগে পরে নিয়ে তর্ক-বিতর্ক থাকলেও প্রধান দলগুলো ব্যস্ত নির্বাচনী মাঠ গোছাতে। বিএনপি বলছে, ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচন প্রশ্নে যারাই অভিন্ন অবস্থানে তাদের সাথেই আলোচনা চলছে। পাশাপাশি আসন সমঝোতার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে দলটির কাছে।
অন্যদিকে, সংস্কার, স্বৈরাচারের দোসরদের বিচার এবং স্থানীয় নির্বাচনের পরেই জাতীয় নির্বাচনের কথা ভাবছে জামায়াতে ইসলামী।
আর, সংস্কার না করে সংসদ নির্বাচন দিলে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের রক্ত বৃথা যাবে বলে মনে করছে জাতীয় নাগরিক কমিটি।
দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মাথায় এসে সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে জাতীয় নির্বাচনের জন্য। এ বছরের ডিসেম্বরের শেষের দিকে প্রয়োজনীয় সংস্কার হলে ২৬ এর জুনে জাতীয় নির্বাচনের কথা ভাবছে সরকার।
তবে, এখনো আসেনি চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত। এ অবস্থায় সংস্কার, স্বৈরাচারের দোসরদের বিচার এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আলাদা আলাদা চ্যালেঞ্জ আছে ছাত্র-জনতা গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন প্রশ্নে মতভিন্নতা আছে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে। বিএনপি বলছে, জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে স্বৈরাচারের দোসররা।
তবে, জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু করার স্বার্থেই আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন চায় জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলছে, নির্বাচন প্রক্রিয়ার সাথে যেসব প্রতিষ্ঠান ও বিভাগ জড়িত সেগুলোর সংস্কার শেষেই জাতীয় নির্বাচন চায় দলটি।
এদিকে জাতীয় নাগরিক কমিটি ও ছাত্র জনতার সমন্বয়ে গঠিত হতে যাওয়া নতুন দলের নেতারাও বলছেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার না করে নির্বাচন করলে বৃথা যাবে গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের রক্ত।














