‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার আইন ২০১০’ থেকে বঙ্গবন্ধু ও শেখ মুজিবুর রহমান বাদ দিয়ে আইনের নাম সংশোধনীর আরেকটি প্রস্তাব তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সেই সাথে ‘বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট আইন ২০১৬’ থেকে বঙ্গবন্ধু শব্দটি বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি সংশোধনী প্রস্তাবের খসড়া তৈরি করেছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, যেহেতু বর্তমানে সংসদ নেই, তাই রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে এই আইন দু’টির সংশোধনী করা যেতে পারে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় মনে করে, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টির জন্য বিদ্যমান আইনের আওতায় গঠিত ট্রাস্টের নামের ক্ষেত্রে ব্যক্তির নাম বিলুপ্ত করা হলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এর গ্রহণযোগ্যতা এবং মর্যাদা বাড়বে। তাই বিদ্যমান আইন দু’টির যেসব জায়গায় ব্যক্তির নাম ও উপাধি ব্যবহার করা হয়েছে সেসব স্থান থেকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি ও ‘শেখ মুজিবুর রহমান’র নাম বিলুপ্তের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এই আইনের মাধ্যমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে বিভিন্ন বিষয়ে দেশে-বিদেশে এমএস বা সমতুল্য ডিগ্রি, পিএইচডি, পোস্ট ডক্টরাল গবেষণা বা অধ্যয়নের জন্য ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে ফেলোশিপ প্রদান, বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষায়িত যোগ্যতাসম্পন্ন বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ, গবেষক ও একাডেমিশিয়ান তৈরির লক্ষ্যে এমএস বা সমতুল্য ডিগ্রি, পিএইচডি ও পোস্ট ডক্টরাল পর্যায়ে গবেষণা কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান, দেশে ও বিদেশে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এমএস, পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমে গবেষকদের গবেষণা ও উন্নয়ন বিষয়ে অধিকতর দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করা, দেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়ক কার্যক্রম পরিচালনা করাসহ প্রশিক্ষিত বিজ্ঞানীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে এই আইন তৈরি করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, সরকারের নির্দেশে বিদ্যমান আইন দু’টি থেকে নাম ও উপাধি বিলুপ্ত করে আইনের প্রস্তাবিত খসড়া সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি এখন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।







