ঘুম থেকে উঠেই এক কাপ চা! তবে সেটা কোন ধরণের চা হবে? রং চা, নাকি গ্রিন টি?
পুষ্টিবিদরা বলেন, রং চা এবং গ্রিন টি, দুইই শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। দুই চা আমাদের স্বাস্থ্যে দারুণ প্রভাব ফেলে। এই দুই ধরনের চাই ক্যামেলিয়া সিনেনসিস গাছের পাতা থেকে তৈরি করা হয়। দুটির মধ্যে মূল পার্থক্য হল রং চা অক্সিডাইজড এবং সবুজ চা নয়। রং চা তৈরি করার জন্য, পাতাগুলি প্রথমে পাকানো হয় এবং তারপরে অক্সিডেশন প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য বাতাসের সংস্পর্শে আসে। এই প্রতিক্রিয়ার ফলে পাতাগুলি গাঢ় বাদামি হয়ে যায় এবং সময়ের সঙ্গে চায়ের স্বাদ আরও তীব্র হতে থাকে। অন্যদিকে, গ্রিন টির অক্সিডেশন বন্ধ করে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। পুরো প্রক্রিয়াজাতকরণ একই ভাবে হয় কেবল অক্সিডেশন হয় না। আর এ কারণেই গ্রিন টি সবুজ থাকে।
এছাড়া গ্রিনটিতে এক-চতুর্থাংশ ক্যাফেইন থাকে, যা স্বাস্থ্যকর। এবং গ্রিন টি কম অ্যাসিডিক এবং অ্যাসিডিক বর্জ্য কম করতে সাহায্য করে ।বিশুদ্ধ হার্বাল গ্রিন টি ত্বক উজ্জ্বল করে। তাই অনেকেই গ্রিন টি পান করেন। এক কাপ গ্রিন টি ঠান্ডা পানীয়ের চেয়েও বেশি সতেজ রাখে। তাই ক্লান্ত হয়ে গেলে শরীর ঠান্ডা রাখতে এক কাপ গ্রিন টি পান করতে বলেন অনেক পুষ্টিবিদ। এমনি গ্রিন টি আমাদের প্রশান্তি দেয় ৷ কারণ এতে রয়েছে থানাইন নামের একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা শরীরকে প্রশান্ত রাখতে সাহায্য করে।
সবশেষে পুষ্টিবিদরা বলেন, উভয় চায়ের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। দুই চায়ে দুই ধরনের কিছু উপাদান এদের গুনগুনে পরিবর্তন এনেছে। গ্রিন টি কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও দুই চাতে দুই ধরনের উপকার আছে। তাই চাইলে দুই চা নিয়ম করে পান করা যেতে পারে।














