সচিবালয়ে আগুন লাগার ঘটনাকে সন্দেহজনক আখ্যা দিয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, ডিজিটাল পদ্ধতিসহ বিভিন্ন মাধ্যমে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ নথি সংরক্ষণে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। তাদের মতে, একাধিক যায়গায় নথি সংরক্ষণ করা হলে তা আর ধ্বংস হবে না। বৈশাখী টেলিভিশনের সাথে আলাপচারিতায় তারা বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এসব কাগজপত্র কেনো পুড়ে গেলো তার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
সম্প্রতি সচিবালয়ে আগুন লাগার ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ কাগজ ও নথি পুড়ে ছাই হয়েছে। কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সংবেদনশীল রাষ্ট্রীয় নথি অন্য কোথাও সংরক্ষিত না থাকায় তা উদ্ধার করা ভীষণ দুরুহ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টারা।
বৈশাখী টেলিভিশনের সাথে আলাপচারিতায় নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, পতিত সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ধোয়া তুলে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে। সচিবালয়ের গুরুত্বপূর্ণ নথি অনলাইনে সংরক্ষিত না থাকায় সেটি প্রমাণ হয়েছে। বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ নথি বা ডকুমেন্টস বিভিন্ন যায়গায় নানা পদ্ধতিতে সংরক্ষণের পরামর্শ দেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক এম সালাহ উদ্দিন চৌধুরী।
কূটনীতিক বিশ্লেষক রাশেদ আহমেদ চৌধুরীর মতে, রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় নথি এক যায়গায় রাখাও একটি ষড়যন্ত্র। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের নথির কপি সংরক্ষণে গোয়েন্দা থেকে শুরু করে প্রয়োজনে ক্যান্টনমেন্টেও রাখার পরামর্শ দেন তিনি।
তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে সচিবালয়েরমতো কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টিত এলাকায় আগুন লাগার ঘটনাকে কিছুটা অস্বাভাবিক বলেও মনে করেন তারা।
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় অগ্নি নির্বাপন সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপত্তা জোরদারেও পরামর্শ দেন এই দুই বিশ্লেষক।














