বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২, ২ শাবান ১৪৪৭, শীতকাল

দায়িত্বহীন প্রতিবেদন নিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহর পোস্ট

সময় টিভির সাংবাদিক বরখাস্তে নেপথ্য কারণ এবং এ বিষয়ে এএফপির দায়িত্বহীন প্রতিবেদন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটের দিকে এই স্ট্যাটাস দেন তিনি।

পোস্টে হাসনাত লেখেন, ‘মঙ্গলবার সংবাদ সংস্থা এএফপি রিপোর্ট করে যে, সময় টিভির কয়েকজন সাংবাদিককে বরখাস্ত করা হয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত, প্রতিবেদনে ঘটনাটি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যেন সিটি গ্রুপকে, যারা টেলিভিশন স্টেশনটির মালিক, তাদের নিজস্ব সাংবাদিকদের বরখাস্ত করতে বাধ্য করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। কিন্তু এটি একেবারেই সত্য নয়।’

পোস্টে হাসনাত এছাড়া লেখেন, ‘আমরা সম্প্রতি সিটি গ্রুপের কার্যালয়ে গিয়েছিলাম তাদের মালিকদের কাছে আমাদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানাতে। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সময় টিভির সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে আমরা এই প্রতিবাদ জানাই। স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে প্রায় দুই হাজার মানুষ, যার মধ্যে শত শত শিক্ষার্থী ছিলেন, নিহত হয়। ওই সময় প্রতিবাদগুলো ছিল শান্তিপূর্ণ। তবুও, প্রতিবাদকারীদের প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যা করা হয়।’

তিনি জানান, অনেক টিভি স্টেশন, পত্রিকা, এবং নিউজ সাইট এই গণঅভ্যুত্থানের সময় সাংবাদিকতার ন্যূনতম নীতিমালা মানেনি। তারা শিক্ষার্থী এবং প্রতিবাদকারীদের ‘সন্ত্রাসী’, ‘অপরাধী’ এবং ‘ইসলামপন্থী চরমপন্থী’ বলে উল্লেখ করে তাদের মানবিক মর্যাদা হরণ করেছে এবং তাদের প্রতিবাদের অধিকারকে অস্বীকার করেছে। এ ছাড়াও, তারা হাসিনার নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন এবং বৈধতা দিয়েছে। সময় টিভি এই অপপ্রচেষ্টায় নেতৃত্ব দিয়েছে।

তিনি আরও জানান, ‘প্রকৃতপক্ষে, এই ২৪ ঘণ্টার নিউজ চ্যানেলটি গত ১৬ বছরে হাসিনার মানবতাবিরোধী সব অপরাধ, যেমন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, এবং বিরোধী দলগুলোর বিরুদ্ধে ব্যাপক দমনমূলক অভিযান, এগুলোকে সমর্থন ও বৈধতা দিয়েছে। সময় টিভি শীর্ষ ভিন্নমতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে, যার মধ্যে শহিদুল আলম, ডেভিড বার্গম্যান, লিসা গাজী, এবং এএফপি ফ্যাক্ট চেক সম্পাদক কাদরুদ্দিন শিশিরও রয়েছেন।’

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

ফটোগ্যালারী

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.