শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের দুর্নীতি তদন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারে আছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি সামারি প্রতিবেদন গণমাধ্যমকে সরবরাহ করা হয়েছে। এটা নিয়ে আমাদের কাজগুলো শুরু হয়েছে। আরও বিস্তারিত কার্যক্রম আপনারা জানতে পারবেন। এটা আমাদের টপ প্রায়োরিটি।
দেশের সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে আজ মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।
ধারণা থেকে নয়, বরং প্রকৃত তথ্য সহকারে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ করার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শফিকুল আলম বলেন, অনেক সময় পারসেপশনের ওপর অনেকে রিপোর্ট করে ফেলেন। আশেপাশে তিনজন ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছে, এটা থেকে হয়ত পারসেপশন হয় যে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দ্রুত খারাপের দিকে যাচ্ছে।
আমার অনুরোধ হলো যেটা প্রকৃত ঘটছে, সেটা আপনারা লেখেন। আমরা তথ্যের ক্ষেত্রে আরও ট্রান্সপারেন্সি চাই। পুলিশকে আমরা বলে দিয়েছি যে, তারা যেন অপরাধের তথ্য সবসময় নিয়মিতভাবে প্রকাশ করে, যোগ করেন তিনি।
প্রেস সচিব আরও বলেন, এতে পুলিশের সঙ্গে জনগণের একটা ট্রান্সপারেন্সির সম্পর্ক তৈরি হবে। কী হচ্ছে, কোথায় হচ্ছে, কী মামলা হচ্ছে, কোন ধরনের অপরাধ বাড়ছে—তা দেখলে জনগণের প্রকৃত ধারণা তৈরি হবে।
তিনি বলেন, আমরা গত কয়েকদিন দেখেছি যে বেশ কিছু সংবাদপত্র দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ করেছে। এর মধ্যে একটি সংবাদের শিরোনাম ছিল “বেড়েছে খুন, ছিনতাই, ডাকাতি, হিমশিম খাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।” প্রতিবেদনটি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা দেখেছি যে এই প্রতিবেদনে একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। যদি পুলিশকে ভালোমতো জিজ্ঞাসা করা হতো, তারা একটা ভালো চিত্র তুলে ধরতে পারতেন। অনেক ক্ষেত্রে অনেকে আনভেরিফায়েড ডেটা দিয়ে দেয়।
এসময় প্রেস সচিব শফিকুল আলম পুলিশের তৈরি গত কয়েকমাসের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির একটি চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে যারা ক্রাইম বিট করেন, তারা জানেন যে বাংলাদেশে হত্যার হার প্রতি মাসে ২০০-৩০০ এর বেশি হয় না। এটা এর মধ্যেই থাকে, যদি না ব্রুটাল সরকার জনগণের প্রতি হত্যাযজ্ঞ না চালায়।














