দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়া শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
ইসমাইল হোসেনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া।
গত শনিবার (২১ ডিসেম্বর) বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদিন তাকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত। রিমান্ড শেষ ২৩ ডিসেম্বর কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।
আবেদনে বলা হয়েছে, ইসমাঈল হোসেন দায়িত্ব পালনকালে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে ঘুষ, বদলি, পদোন্নতি, নিয়োগ বাণিজ্যসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে অংশ নিয়েছেন বলে জানা গেছে। তাকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন। এ বিষয়ে দুদকের অনুমোদন আছে।
তদন্তকালে জানা গেছে, ইসমাইল হোসেন সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের মানিলন্ডারিং সম্পৃক্ত অপরাধ ‘ঘুষ ও দুর্নীতি’ সংঘটনের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ বা সম্পত্তির অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করার ক্ষেত্রে সহযোগী ছিলেন। দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম শুনানি করেন। পরে আদালত ইসমাইল হোসেনকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, সাবেক খাদ্যমন্ত্রীর নামে ২৫ কোটি ৩৪ লাখ ৬৬ হাজার ২৩৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ মিলেছে, যা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন।














