ক্রিস্টানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন উদযাপনে উৎসবের রঙে সেজেছে সারাদেশের গির্জাগুলো। বর্নিল আলোকসজ্জায় আলোকিত সারাদেশের প্রতিটি গীর্জা। সন্ধ্যা থেকে গির্জায় গির্জায় শুরু হবে প্রার্থনা।
বড় দিন উদযাপন নির্বিঘ্ন করতে সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার করেছে প্রশাসন।
মানবকল্যাণের বার্তা নিয়ে জগতে এসেছিলেন যিশুখ্রিষ্ট। বেথলেহেমের এক গোশালায় কুমারী মা মেরীর কোলে জন্ম হয় যিশুর। তার জন্মতিথি উপলক্ষে আয়োজনের কমতি নেই খ্রিস্টধর্ম অনুসারীদের।
খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিনকে ঘিরে সাভারের ৪২টি গির্জা, চার্চ ও বাসা-বাড়িতে দেখা যাচ্ছে উৎসবের আমেজ। সন্ধ্যায় প্রার্থনার মধ্যে দিয়ে শুরু হবে বড়দিনের মূল আনুষ্ঠানিকতা। যাতে সকল মানুষের জন্য চাওয়া হবে মুক্তি ও শান্তি।
পরিবারে সাথে বড়দিন উদযাপনে বিদেশ থেকেও দেশে আসেন অনেকে। বড়দিন নির্বিঘ্নে উদযাপনে গির্জাগুলোতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ।
নাটোরে বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান পল্লী ও গির্জা গুলো সাজানো হয়েছে নানা রঙের বাতিতে। জেলার বনপাড়া ধর্মপল্লীতে মধ্যরাত পর্যন্ত চলছে আনন্দ গীত। বড়দিনকে ঘিরে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি নানা প্রস্তুতির কথা জানালেন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা। সাজ সাজ রব মেহেরপুরের খ্রীস্টান পল্লীগুলোতেও। সব ধর্মের মানুষকে একসাথে নিয়ে দিনটি উদযাপন করতে চায় তারা।
বড়দিন উপলক্ষ্যে কঠোর নিরপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে বলে জানালেন মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিনূর রহমান খাঁন। বড়দিন উদযাপনের জন্য প্রস্তুত মাগুরাও। এছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলাতেও নানা আয়োজনে বড়দিন উদযাপনে প্রস্তুত রয়েছে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা।














