আদালতে নিয়োগে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিতেন সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বিচারাঙ্গণ থেকে হাতিয়ে নেয়া টাকা রাখতে বানিয়েছিলেন ব্যাংক। আর সেখানে চেয়ারম্যান করেছিলেন তার ঘনিষ্ঠ অ্যাডভোকেট তৌফিকা করিমকে। যার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। দুদকের গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এসব অভিযোগের সত্যতা মেলায় অনুসন্ধানে নেমেছে সংস্থাটি।
টানা ৯ বছর ধরে আইনাঙ্গণে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ছিল সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের। বিচারক থেকে আইন কর্মকর্তা, সব নিয়োগই তার নখদর্পনে থাকতো। অভিযোগ উঠেছে টাকা ছাড়া কোন কাজই হতো না আইনমন্ত্রণালয়ে। যার বড় অংশ পেতেন আনিসুল হক।
এমনকি নিম্ন আদালতের কর্মচারী নিয়োগে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা নিতেন তিনি। সম্প্রতি এমন অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
সাবেক আইনমন্ত্রী টাকা দেশে না রেখে পাচার করেছেন বিদেশে। টাকা রাখতে তৈরি করেছিলেন সিটিজেন নামক ব্যাংক। যেখানে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন ঘনিষ্ঠজন তৌফিকা করিমকে। যার প্রধান কাজই ছিল বিচারাঙ্গণে আনিসুল হকের ক্ষমতা-প্রভাব খাটিয়ে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা।














