রাজনীতিমুক্ত, প্রকৃত ক্রীড়া সংগঠকদের বিভিন্ন ফেডারেশনের দায়িত্ব দেয়া উচিত বলে মনে করেন সংগঠকরা। গত ১৬ বছরে প্রায় প্রতিটি ক্রীড়া ফেডারেশনেই রাজনৈতিক প্রভাব দেখা গিয়েছে, যার ফলে খেলার সাফল্য তেমন একটা দেখা যায়নি।
রাজনীতির প্রভাবমুক্ত না করতে পারলে ক্রীড়াক্ষেত্রে সাফল্য পাওয়া সম্ভব নয় বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। প্রকৃত সংগঠকরা যেনো স্বাধীনভাবে ফেডারেশন ও সংস্থাগুলোতে কাজ করতে পারে সেদিকে খেয়াল রেখেই ক্রীড়াঙ্গনে সংস্কার করার উপর জোর দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ক্রীড়া সংস্কার সার্চ কমিটির প্রধান জোবায়দুর রহমান রানা।
বাংলাদেশে প্রায় ৫২টি ক্রীড়া ফেডারেশন ও সংস্থা রয়েছে। বেশিরভাগেরই তেমন কোন খেলাধূলা হয় না বছরের পর বছর। ৫২টি ফেডারেশনের বেশিরভাগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন রাজনৈতিক প্রভাবে। ফলে গত ১৫ -১৬ বছরে ক্রীড়াঙ্গনে বড় ২/৩টি ফেডারেশন ছাড়া আর কারো কোন সাফল্য নেই বললেই চলে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তকালীন সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর ক্রীড়াঙ্গনেও সংস্কারের ছোঁয়া লেগেছে। সাবেক খেলোয়াড়ররা মনে করেন রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ক্রীড়াঙ্গন গড়া দরকার।
ক্রীড়া সংগঠক কাজী রাজিবউদ্দিন চপল বলেন, জাতীয় ক্রীড়া পুরষ্কারপ্রাপ্ত সংগঠক কাজী রাজিব উদ্দিন চপল মনে করেন, উপজেলা পর্যায় থেকে যদি প্রকৃত সংগঠকরা ক্রীড়া উন্নয়নে কাজ করেন তাহলে দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশ সাফল্য পাবে।
ক্রীড়াঙ্গন সংস্কারের লক্ষ্যে পাঁচ সদস্যের ক্রীড়া সংস্কার সার্চ কমিটি গঠন করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে এই কমিটি। কমিটির প্রধান জোবায়দুর রহমান বৈশাখী টেলিভিশনকে জানিয়েছেন প্রকৃত সংগঠকরা যেনো ক্রীড়াঙ্গনে আসতে পারে সেই লক্ষ্য নিয়েই তারা কাজ করছেন।
যত দ্রুত সম্ভব এই কমিটি একটি গ্রহণযোগ্য ক্রীড়াঙ্গন গড়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন বলেও জানান সার্চ কমিটির প্রধান।














