যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত বিতর্কে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিপরীতে অনেকটাই নিষ্প্রভ ছিলেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ট্রাম্পের সামনে তার এই বিপর্যয়ের কারণে অনেক ডেমোক্রেটিক সমর্থকের মনে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
অনেকে তো ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে বাইডেনের বিকল্প প্রার্থীর কথাও ভাবা শুরু করছিলেন। গুঞ্জন উঠছিল, বাইডেন সম্ভবত পদত্যাগ করবেন। কিন্তু গত শনিবার নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সিতে কয়েকটি তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সব গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন বাইডেন। অনুষ্ঠানে বাইডেন সিএনএন বিতর্কে তার বাজে পারফরম্যান্স নিয়ে আত্মরক্ষামূলক বক্তব্য দেন। খবর বিবিসির
বাইডেন তার বক্তব্যে স্বীকারোক্তি দিয়ে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (বিতর্কের রাত) আমার ভালো রাত ছিল না। ট্রাম্পেরও ছিল না। তবে আমি আপনাদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আমরা এই (প্রেসিডেন্ট) নির্বাচনে জয়ী হব।’ এ সময় বিতর্ক প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি দেখে তার দল থেকে অন্য প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়াবেন না বলেও জানিয়েছেন বাইডেন। নিউইয়র্ক ও নিউ জার্সিতে ওই তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠানে ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন তার সঙ্গে ছিলেন। অনুষ্ঠানে জিল দৃঢ়ভাবে ৮১ বছর বয়সি স্বামীর পক্ষে কথা বলেছেন। এদিন এক সমাবেশে জিল বলেন, ‘জো এই কাজের জন্য শুধু সঠিক ব্যক্তিই নন…, তিনি এ দায়িত্বের জন্য একমাত্র ব্যক্তি।’
এদিকে বাইডেনের বাজে পারফরম্যান্সকে কেন্দ্র করে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য যোগ্য কি না, তা নিয়েও কিছু ডেমোক্র্যাটের মধ্যে নতুন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাইডেনের সাবেক যোগাযোগ পরিচালক কেট বেডিংফিল্ড এই বিতর্ককে হতাশাজনক বলে উল্লেখ করেছেন।
নিউ জার্সির তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে বাইডেন ও ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেনের সঙ্গে অংশ নিয়েছিলেন ডেমোক্র্যাট গভর্নর ফিল মারফি। তিনি বাইডেনকে সমর্থন দিয়ে বলেন, ‘আমরা সবাই আপনার সঙ্গে ১০০০ ভাগ আছি।’ বাইডেনের ক্যাম্পেইন চেয়ারওম্যান জেনিফার ও’ম্যালি ডিলন বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ বিতর্ক-পরবর্তী ভোটগ্রহণ থেকে দেখা যায়, ভোটারদের মতামতে পরিবর্তন হয়নি। এটি প্রথমবারের মতো নয় যে অতিমাত্রায় প্রস্ফুটিত গণমাধ্যম উপখ্যান নির্বাচনকে অস্থায়ীভাবে তলিয়ে দিয়েছে।’
সূত্র : বিবিসি














