ছাগলকাণ্ডে আলোচিত এনবিআরের সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের অবৈধ সম্পদের খোঁজে এবার বিভিন্ন জেলার সাব রেজিস্ট্রি অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মতিউর রহমান, তার প্রথম স্ত্রী এবং নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা চেয়ারম্যান লায়লা কানিজ লাকী ও সন্তানের নামে রোববার দুদক এসব চিঠি দিয়েছেন বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।
আলোচিত এই কর্মকর্তা ও তার পরিবারের সদস্যদের জ্ঞাতআয়বহির্ভূত কোনো জমি আছে কিনা, তা জানতেই কমিশন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ঈদের আগে ১৫ লাখ টাকায় ছাগল কেনা নিয়ে দেশজুড়ে তুমুল আলোচনায় আসেন সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর ও তার পরিবারের সদস্যরা। বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার অঢেল সম্পদের তথ্য প্রকাশিত হয়।
এরপর তার ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের খোঁজে নামে দুদক। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্ত করতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
দুদকের আবেদনে মতিউরকে বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তার স্ত্রী লায়লা কানিজ লাকী ও ছেলে আহম্মেদ তৌফিকুর রহমান অর্নবেরও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
সরকারি চাকরি করে মতিউর ও তার পরিবারের সদস্যরা কীভাবে বিপুল বিত্ত বৈভবের হলেন তা নিয়ে প্রশ্নের অন্ত নেই। একাধিক বাড়ি, কয়েকটি বিলাসবহুল গাড়ি ও ফ্ল্যাট, রিসোর্ট, জমি, শিল্প কারখানার মালিকানাসহ শেয়ারবাজারেও বিরাট অঙ্কের বিনিয়োগ রয়েছে তাদের।














