অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আবারো স্কুলে হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। ওই ঘটনায় নিহত হয়েছেন অন্তত ৩০ ফিলিস্তিনি। স্কুলটিতে আশ্রয় হারানো ফিলিস্তিনিরা আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে তাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে ইসরাইলের দাবি, সশস্ত্র জঙ্গিদের টার্গেট করে এই হামলা চালানো হয়েছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবার এই হামলার ঘটনা ঘটে। বিমানের মাধ্যমে এই হামলা করা হয়েছে। হামাসের মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ১৫ জন শিশু এবং ৮ নারী রয়েছেন। মধ্য গাজার দেইর আল বালাহ শহরে এই হামলা চালানো হয়। ৩০ জন নিহত ছাড়াও ওই হামলায় অন্তত ১০০ জন আহত হয়েছেন। তবে ইসরাইল জানিয়েছে, ওই ভবনে সশস্ত্র জঙ্গিদের তৎপরতা ছিলো। তদের টার্গেট করেই এই হামলা চালানো হয়েছে। সেই সাথে হামলার আগে বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তার কথাও ভেবে পদক্ষেপ নিয়েছিলো ইসরাইল। তবে সেই পদক্ষেপের বিষয়ে কোনরকম মন্তব্য করেনি তারা।
উম হাসান আলী নামের এক নারী বলেন, মাত্র কয়েকদিন হলো আমি আমার মেয়েকে নিয়ে গাজায় ফিরেছি। আমরা মিশরে ছিলাম। সেখানে আমার মেয়ের চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলাম। এই হামলায় আমার মেয়ে আবারো আহত হলো। তাকে হাসপাতালে নিতে হয়েছে।
গত মাস থেকেই গাজায় অবস্থিত স্কুলগুলোতে হামলা বাড়িয়েছে ইসরাইল। বর্তমানে এসব স্কুলে শরণার্থীরা আশ্রয় নিয়েছেন। ইসরাইলের দাবি, আশ্রয়কেন্দ্রের আড়ালে এসব স্কুলে হামাস যোদ্ধারা হামলার প্রস্তুতি নিয়ে থাকে। তবে এই দাবিতে সম্পূর্ণ অমত জানিয়েছে হামাস।







