কোটাবিরোধী আন্দোলনকে ঘিরে ব্যাপক নাশকতা ও তাণ্ডবের সাক্ষী হয়েছে গাজীপুর। সিটি কর্পোরেশনের একাধিক অফিস এবং নগর মেয়রের বাসভবনে হামলা ও আগুন দেয়া হয়।
এ সময় সিটি মেয়র জায়েদা খাতুনকে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলেও জানায় স্বজনরা। উত্তরায় এক সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে গুরুতর জখম সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। তার ব্যক্তিগত সহকারীকে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়।
গাজীপুর সিটিতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে ৫০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি নগর কর্তৃপক্ষের।
কোটাবিরোধী আন্দোলনের সময় গত শনিবার গাজীপুর সিটির টঙ্গি ও বোর্ড বাজার জোনাল অফিসসহ আরও কয়েকটি অফিসে হামলা ও ভাঙচুর করে নাশকতাকারীদের। পুড়িয়ে দেওয়া হয় ২০টি গাড়ি।
এছাড়া গাজীপুর সিটি মেয়রের বাসভবনেও চালানো হয় হামলা। দেয়া হয় আগুন। দুইদিন ধরে সেখানে চলে তাণ্ডব।
পরের দিনও বাসার সামনের সড়কে আগুন জ্বালিয়ে দুই দফা হামলা চালানো হয় মেয়রের বাসভবনে। পরে মেয়র জায়েদা খাতুনকে বাসা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
এর আগের দিন গত শুক্রবার রাজধানীতে আওয়ামী লীগের সমাবেশে যোগ দেওয়ার পথে উত্তরায় দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর জখম হন সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম।
এসময় তার ব্যক্তিগত সহকারীকে হত্যা করে গাছে ঝুলিয়ে রাখে সন্ত্রাসীরা। গুরুতর জখম হন জাহাঙ্গীর। প্রথমে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়েছে।







