সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২, ২৬ রমজান ১৪৪৭, বসন্তকাল

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নিহত ১৭ জন

কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে দুই দিনে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নিহত হয়েছেন ১৭ জন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ডাকা কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচিতে রাজধানীতে ৯ জন, মাদারীপুরে এক শিক্ষার্থী ও নরসিংদীতে এক স্কুলছাত্রসহ মোট ১১ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৯ জনই ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ ও ছাত্রলীগ–যুবলীগ নেতা–কর্মীদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন।

সব মিলিয়ে উত্তরায় যে ছয়জন নিহত হয়েছেন তাদের মধ্যে চারজনের মরদেহ রাজধানীর উত্তরার বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে রয়েছে। যাদের মধ্যে দুজন শিক্ষার্থী হলেও বাকি দুজন সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

অন্যদিকে, আরও নিহত হয়েছেন ঢাকার রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের একজন, সাভারের এক শিক্ষার্থী ও রামপুরায় এক পথচারী। ঢাকার বাইরে মাদারীপুরে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পানিতে ডুবে কোটা সংস্কার আন্দোলনের এক শিক্ষার্থী ও নরসিংদীতে এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ডাকা কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচিতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই উত্তাপ ছড়ায় রাজধানীতে। উত্তরা-আজমপুর এলাকায় পুলিশ ও র‍্যাবের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষে চারজনসহ আরও দুজন নিহত হয়।

সাভার: দুপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষে সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় সাভার। এ সময় গুলিতে নিহত হয় ইয়ামিন নামে এক শিক্ষার্থী। আহত হয় অর্ধশতাধিক মানুষ। ইয়ামিন মিরপুর এমআইএসটিতে অধ্যয়নরত ছিলেন।

রামপুরা: পুলিশ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্যাপক সংঘর্ষে রাজধানীর বাড্ডা-রামপুরা এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এই সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে দুলাল মাতবর নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তিনি পেশায় ড্রাইভার। সংঘর্ষের সময় একটি হাইএস গাড়ি চালিয়ে এলাকা পার হচ্ছিলেন।

ধানমন্ডি: বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ধানমন্ডির পুরানো ২৭ নম্বর সড়ক এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকার সমর্থক ও পুলিশের সংঘর্ষে ফারহান ফায়াজ নামে এক ছাত্র মারা গেছে। সে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের ছাত্র। মোহাম্মদপুর এলাকার সিটি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

মাদারীপুর: পুলিশ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোটা সংস্কারের আন্দোলনকারীদের ত্রিমুখী সংঘর্ষে মাদারীপুরে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পালাতে গিয়ে পুকুরে ডুবে এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। দুপুর ১২টার দিকে সেই ছাত্রের লাশ শকুনী লেক থেকে উদ্ধার করা হয়। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের আহত হয়েছে প্রায় ৩০ জন।

নরসিংদী: ‍বিকেল ৫টার দিকে নরসিংদী সদর উপজেলার ভেলানগর এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে স্কুলশিক্ষার্থী তাহমিদ তামিম (১৫) মারা গেছে। নরসিংদী জেলা হাসপাতালের আরএমও মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, নিহতের গায়ে রাবার বুলেটের চিহ্ন আছে।

এর আগে গত মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও পুলিশের সহিংসতায় সারা দেশে ছয় জনের মৃত্যু হয়। যাদের মধ্যে রাজধানীতে দুজন, চট্টগ্রামে তিনজন এবং রংপুরে একজন। এসব সংঘর্ষে আহতের সংখ্যা চার শতাধিক।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

ত্বক কালচে হওয়ার কারণ
৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ
শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সিরিজ জয়
ইসরাইলে নতুন করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের
৫ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ
অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান
ঈদ উপলক্ষে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আর্থিক সহায়তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
লাইলাতুল কদর উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হলে সংবিধান সংশোধন করতে হবে’
সংসদে দেখে দেখে বলা অনুমোদিত না: স্পিকার
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের পথে
৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার
শিশু হত্যাকারী নেতানিয়াহুকে খুঁজে বের করে হত্যা করব: ইরান
হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান ট্রাম্পের
জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছে এনসিপি: সামান্তা শারমিন
বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন জামায়াত নেতা
জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহার
মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে আজ
সংসদ অধিবেশন শুরু
সোমবার দিনাজপুর সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ফটোগ্যালারী

[custom_gallery]

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১ 
কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.