বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২, ২ শাবান ১৪৪৭, শীতকাল

ট্রাম্প-বাইডেন বিতর্ক : যা জানা যায়

সাবেক রিপাবলিকান কংগ্রেসওম্যান রোডনি ডেভিস বলেছেন, বিতর্কটি ছিল ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিষ্কার জয়’। তিনি বলেছেন, ‘আমেরিকাজুড়ে ডেমোক্র্যাটদের জন্য দুঃখজনক যে, বিতর্কের ধরণটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সহায়তা করেছে।’

বিবিসির ম্যাডেলাইন হ্যালপার্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রফেসর কোরউইন স্মিডট বলেছেন, বাইডেন তার অনেক দুর্বলতা দেখিয়েছেন এবং খুব বেশি শক্তির জায়গা দেখাননি।

ভিজুয়াল, কণ্ঠ ও জবাব দেওয়ার গতির কারণে তাকে অনুসরণ করাটা কঠিন ছিল। তিনি বলেন, ‘অনেক তথ্যভিত্তিক জবাব ও পয়েন্ট প্রেসিডেন্ট বাইডেন দিয়েছেন। কিন্তু বলার ধরনের কারণে সেগুলো দ্রুত হারিয়ে গেছে।’

প্রফেসর স্মিডট বলেন, ‘প্রশ্নের জবাবে তার উত্তরগুলো দৃঢ় ছিল না। কিন্তু উত্তরগুলো তার ভোটারদের কিছু উদ্বেগ ও ইস্যুকে স্পর্শ করে গেছে। তার সমর্থকরা তাকে চার বছর আগের প্রার্থীর মতোই দেখতে চায়।’

বিতর্ক পরিচালনাকারী সিএনএন এর সঞ্চালক ট্রাম্পের কাছে দুবার জানতে চান, নির্বাচনে যে-ই জিতুক তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনের ফল মানবেন কি-না। তিনি বারবার প্রশ্নটি উপেক্ষা করছিলেন, বরং রাশিয়া-ইউক্রেন ইস্যুতে চলে যাচ্ছিলেন।

এরপর আবারো তাকে প্রশ্নটি করা হয়। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘যদি এটি সুষ্ঠু, আইনগত ও ভালো নির্বাচন হয় তাহলে অবশ্যই’। একই সাথে তিনি ২০২০ সালের নির্বাচন নিয়ে তার বড় ধরনের কারচুপির অপ্রমাণিত দাবির পুনরাবৃত্তি করেন।

বাইডেনকে তার বয়স সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়, তিনি যখন দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ করবেন তখন তার বয়স হবে ৮৬। তিনি হবেন সবচেয়ে বয়স্ক প্রেসিডেন্ট। প্রেসিডেন্ট জবাবে বলেন, একসময় তিনি সবচেয়ে কমবয়সী আইন প্রণেতা বলে সমালোচনার শিকার হতেন এবং ট্রাম্প ‘তিন বছরের ছোট এবং অনেকটাই কম যোগ্য’।

বাইডেন বলেন, ‘রেকর্ড দেখুন। দেখুন তিনি যে ভয়ানক পরিস্থিতি রেখে গিয়েছিলেন সেখান থেকে কীভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছি।’

অন্যদিকে ট্রাম্পকে বলা হয়, তার বয়স এখন ৭৮ বছর এবং দ্বিতীয় মেয়াদ শেষে তা হবে ৮২ বছর। জবাবে ট্রাম্প বলেন, তার স্বাস্থ্য ভালো এবং তিনি এ সময় গলফ খেলার প্রসঙ্গও টেনে আনেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি এটা করেন না। তিনি ৫০ গজ দূরেও বল পাঠাতে পারেন না। আমার মনে হয় আমি ২৫-৩০ বছর আগের মতোই ভালো অবস্থায় আছি। সত্যি বলতে, আমি এখন আরও উজ্জ্বল’।

শিশু যত্নের খরচ মেটানোর সক্ষমতা নিয়ে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়েছিল খরচ কমিয়ে আনতে তিনি কী করবেন। জবাবে বলতে গিয়ে ট্রাম্প যথারীতি যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত ইস্যু টেনে এনে বাইডেনের তীব্র সমালোচনা করেন।

জবাবে পাল্টা আক্রমণ করে বাইডেন বলেন, ট্রাম্প হলেন ‘আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ প্রেসিডেন্ট’। এরপর তিনি বলেন, শিশু যত্নের খরচ কমাতে ট্রাম্প খুব কম ব্যবস্থাই নিয়েছিলেন।

পরে ট্রাম্প তিনি প্রেসিডেন্ট থাকাকালে কী করেছেন সেটি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘তারা আমাকে সবচেয়ে ভালো মনে করে এবং আমি যদি আরও চার বছর পাই তাহলে আমি আমার সেরাটাই দিবো’।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

ফটোগ্যালারী

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.