মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩, ১০ জিলকদ ১৪৪৭, গ্রীষ্মকাল

পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারে ৩৩তম দেশ বাংলাদেশ

কলিকাল প্রতিনিধি

ছবি : সংগৃহীত

দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক নম্বর ইউনিটে পরমাণু জ্বালানি ইউরেনিয়াম লোডিং কার্যক্রম শুরু হলো। আর এর মধ্য দিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করলো বাংলাদেশ। বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে জাতীয় গ্রিডে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে।

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে পরমাণু জ্বালানি হিসেবে দেশে যে ইউরেনিয়াম এসেম্বলি এসেছিল, মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে সেগুলোই ঘটা করে প্রবেশ করানো হলো রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক নম্বর ইউনিটে। এর মধ্য দিয়ে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের এলিট ক্লাবে ৩৩তম দেশ হিসেবে নাম লেখাল বাংলাদেশ।

প্রকল্প এলাকায় আয়োজিত জ্বালানি লোডিংয়ের আনুষ্ঠানিকতায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বাংলাদেশের নবযাত্রায় শুভ কামনা জানান আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধান রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসি। আর রুশ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রোসাটমের মহাপরিচালক এলেক্সি লিখাচ্বভ আগামীতেও বাংলাদেশের পাশে থাকার কথা জানান।

সরকারের নীতিনির্ধারকরা জানান, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে রূপপুরে নিরাপদগত দিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। তাদের আশা, কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদনই নয়, জালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত, জীবনমান উন্নয়ন আর অর্থনীতি গতিশীলে ভূমিকা রাখবে রূপপুর।

দুই ইউনিট মিলে রূপপুরের উৎপাদন সক্ষমতা দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। সব ঠিক থাকলে আগস্টে ৩০০ মেগাওয়াট এবং ধাপে ধাপে আগামী বছরের শেষ দিকে পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ দিতে পারবে রূপপুর।

১৯৬১ সালে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের উদ্যোগের শুরু। রূপপুরে জমি অধিগ্রহণের কয়েক বছর পর প্রকল্পটি বাতিল করে দেয় তৎকালীন পাকিস্তান সরকার। স্বাধীন দেশে এ নিয়ে আবার উদ্যোগ নেয়া হয়।

১৯৯৫ সালের জাতীয় জ্বালানি নীতিতে পারমাণবিক শক্তিকে একটি সম্ভাবনাময় বিকল্প জ্বালানি উৎস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০১১ সালে বাংলাদেশ সরকার ও রুশ ফেডারেশন সরকারের মধ্যে একটি আন্তরাষ্ট্রীয় সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।

চুক্তির আওতায় ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ও রোসাটমের ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্টের মধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জেনারেল কন্ট্রাক্ট স্বাক্ষর করা হয়। চুক্তিতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ, যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও স্থাপন, কমিশনিং, পরীক্ষামূলক পরিচালনা, জনবলের প্রশিক্ষণ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে তিন বছরের পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মন্তব্য করুন

এ বিভাগের আরও খবর

৮ মে মুক্তি পাচ্ছে থালাপতি বিজয়ের শেষ সিনেমা ‘জন নায়কন’
পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারে ৩৩তম দেশ বাংলাদেশ
সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল
জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো আদানির ৯২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, কমবে লোডশেডিং
আমরা মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী
কোস্ট গার্ডের বহরে হেলিকপ্টার যুক্ত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মার্কিন অবরোধ ডিঙিয়ে তেল রপ্তানি করছে ইরান
“রক্তদানে আমরা শেরপুর” সংগঠনের নকলা কমিটি গঠন: সভাপতি সোহাগ, সম্পাদক সজিব
মেয়েদের স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা বিনামূল্যে করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে বোলিংয়ে বাংলাদেশ
মা-বোনদের এলপিজি কার্ড দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
রাশিয়া পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি
‘জরুরি সেবায় জ্বালানি রেশনিং তুলে নেওয়া হয়েছে’
হাম ও এর উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু
ফের শাহবাগে শিক্ষক-পুলিশ মুখোমুখি
প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবে কান দেবেন না: শিক্ষামন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক বৈঠক অনুষ্ঠিত
মাস সেরার পুরস্কার জিতে ইতিহাস গড়লেন ইয়ামাল
উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ফটোগ্যালারী

[custom_gallery]

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

কলিকাল | সত্য-সংবাদ-সুসাংবাদিকতা
Privacy Overview

This website uses cookies so that we can provide you with the best user experience possible. Cookie information is stored in your browser and performs functions such as recognising you when you return to our website and helping our team to understand which sections of the website you find most interesting and useful.