বিএনপির সমাবেশে ভার্চুয়্যালি যোগ দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘ধর্ম, বর্ণ বা পরিচয়ের কারণে কেউ যেন নিরাপত্তাহীনতায় না থাকে।’
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে জোর দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘প্রিয় দেশবাসী। হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার গৌরবকে কালেমাযুক্ত করার ষড়যন্ত্র এরইমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। দেশে গণতন্ত্রের উত্তোরণের চলমান প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে সারাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির ষড়যন্ত্র স্পষ্ট হয়ে উঠছে। প্রশাসনের প্রতি আহ্বান শক্ত হাতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করুন। প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। ধর্ম, বর্ণ পরিচয়ের কারণে কেউ যেন নিরাপত্তাহীনতায় না থাকে, সবার আগে সেটি নিশ্চিত করতে হবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিএনপিসহ বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পক্ষের দলগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, ষড়যন্ত্রকারীদের এই নৈরাজ্যের কাছে আমরা হার মানতে পারি না। আমি বিশেষ করে এই মুহূর্তে দেশের সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল হিসেবে সারাদেশে বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানিয়ে বলতে চাই, আপনারা যিনি যেখানে বসবাস করেন সেখানে আপনার বন্ধু কিংবা পাড়া প্রতিবেশির নিরাপত্তায় ঢাল হিসেবে দাঁড়িয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন- সে মুসলিম, বৌদ্ধ, হিন্দু, খ্রিস্টান যাই হোক না কেন, তার বিশ্বাস যাই হোক না কেন। আমাদের মনে রাখতে হবে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে বসবাসকারী প্রত্যেকটি মানুষের একটিই পরিচয়। সেটি হচ্ছে আমরা বাংলাদেশি।’
তারেক রহমান বলেন, ‘একটি বিষয়ের ওপর দৃষ্টি আকর্ষণ করে কথা বলতে চাই। একটি সভ্য এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পুলিশ অপরিহার্য। পুলিশ জনগণের শত্রু নয়। গণহত্যাকারী হাসিনা বিনা ভোটে ক্ষমতায় থাকার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের শত্রু হিসেবে দাঁড় করিয়েছে। তবে আমি বিশ্বাস করি, বিএনপি বিশ্বাস করে, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক দলগুলোর প্রত্যেকে বিশ্বাস করে, পুলিশের ভেতরে একটি চক্র ছাড়া অধিকাংশ পুলিশ কর্মকর্তা এবং সদস্য চাকরিবিধি মেনেই, দেশের আইন মেনেই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছেন। হাসিনার পলায়নের পর বর্তমানে খুব সুকৌশলে একটি চক্র পুলিশের মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। পুলিশকে অকার্যকর করে দেওয়া হলে দেশকে অস্থিতিশীল করে দেওয়া সহজ। ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মনে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করা সহজ।’








